শান্তর সেঞ্চুরিতে বিপর্যয় সামালে শেষটা হলো না মনের মতো

শুরুতে উইলিয়াম ও’রোর্কের বোলিং তোপে টপ-অর্ডার ধসে পড়লেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং লিটন দাসের দায়িত্বশীল ফিফটিতে লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ইনিংসের শেষ দিকে কিউই বোলাররা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসায় শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের সংগ্রহটা প্রত্যাশা অনুযায়ী খুব বেশি বড়ো হতে পারেনি। ৫০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় আট উইকেট হারিয়ে ২৬৫।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ছিলো বিপর্যয়ের। ও’রোর্কের গতি আর সুইংয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন টপ-অর্ডারের ব্যাটাররা। দ্রুত উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা যখন চাপে, তখন দলের হাল ধরেন শান্ত ও লিটন। এই জুটির সাবধানী অথচ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ইনিংস পুনর্গঠিত হয়।

দুজনই সাবলীল ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। মনে হচ্ছিলো দুজনেই বড়ো শতকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু খেলার ধারার বিপরীতে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে ফেরেন লিটন দাস (৭৬)। লিটন ফিরলেও শান্ত নিজের লড়াই চালিয়ে যান এবং এক চমৎকার সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে শতকের পর রানের গতি বাড়াতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। শান্ত থামেন ১০৫ রান করে।

মিরপুরের মন্থর উইকেটে নতুন ব্যাটারদের জন্য স্ট্রোক খেলা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফলে শেষ পাঁচ ওভারে বাংলাদেশ যেভাবে ঝড় তুলতে চেয়েছিলো, তা আর সম্ভব হয়নি। শেষ পাঁচ ওভারে কিউই বোলাররা অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে মাত্র ৩৪ রান খরচ করেন।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ও’রোর্ক তিনটি, লিস্টার, লেনক্স দুটি করে উইকেট নেন।