ব্রাজিল ও ফ্রান্সের সামনে কঠিন গ্রুপ, বিশ্বজুড়ে শঙ্কা!

আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ড্র শেষ করার পর শঙ্কার মেঘ জমেছে বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও ফ্রান্সের সমর্থকদের মনে। প্রত্যাশার চেয়েও কঠিন গ্রুপে পড়েছে এই দুই দল, যা তাদের নকআউট পর্বে ওঠার পথকে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে।

পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল পড়েছে গ্রুপ সি-তে। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে মরক্কো, স্কটল্যান্ড এবং হাইতি।

অন্যদিকে, কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সকে লড়তে হবে গ্রুপ আই-তে। তাদের সঙ্গী হয়েছে সেনেগাল, নরওয়ে এবং বলিভিয়া, সুরিনাম ও ইরাকের মধ্যে একটি প্লে-অফ বিজয়ী দল।

ব্রাজিলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে মরক্কো। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের পারফরম্যান্সে ব্যাপক উন্নতি দেখা গেছে, বিশেষ করে কাতার বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে সেমি-ফাইনালে ওঠার পর তারা ফুটবল বিশ্বে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করেছে।

এছাড়া, স্কটল্যান্ডও এমন একটি দল যারা সহজে কাউকে ছেড়ে কথা বলে না এবং যে কোনো দিন অঘটন ঘটানোর ক্ষমতা রাখে।

অন্যদিকে, ফ্রান্সের গ্রুপে কঠিন প্রতিপক্ষ হলো নরওয়ে। আর্লিং হালান্ড এবং মার্টিন ওডেগার্ডের মতো তারকার সমন্বয়ে গঠিত নরওয়ের বর্তমান প্রজন্ম অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দল।

 সাদিও মানে এবং কালিদু কৌলিবালির মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া সেনেগালও আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা শক্তি। অনেকেই এই দুটি গ্রুপকে প্রত্যাশার চেয়েও কঠিন বলে মনে করছেন।

যদিও ২০২৬ বিশ্বকাপের নতুন বিন্যাসে কিছু তৃতীয় স্থান অধিকারী দলও পরের ধাপে যাওয়ার সুযোগ পাবে, তবুও ব্রাজিল বা ফ্রান্সের মতো দলগুলোর জন্য গ্রুপ পর্বে একটি খারাপ শুরু পুরো পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে জটিল করে তুলতে পারে।

যদি তারা প্রথম দিকে হোঁচট খায়, তবে এই দুই ফেভারিট খুব দ্রুতই আসরে টিকে থাকার জন্য আন্ডারডগে পরিণত হতে পারে, যার ফলে তাদের নকআউট পর্বে ওঠার রাস্তাটি হয়ে উঠবে আরো বন্ধুর।

ফুটবলপ্রেমীরা এখন হিসাব-নিকাশ করে দেখছেন, এই দুই হেভিওয়েট দল কিভাবে তাদের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে যায়। দুই দলেরই একাধিক বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে।