টুইটারের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাত্রই চালু হওয়া নতুন অ্যাপ থ্রেডস শুরুতেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে বড় সাড়া ফেলেছে। নতুন এই অ্যাপটি প্রথম দিনেই তিন কোটি ব্যবহারকারী নাম লিখিয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ।
দুই টেক জায়ান্ট ফেসবুক-টুইটারের মধ্যে প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দুই সংস্থা একে অপরকে টেক্কা দেয়ায় ব্যস্ত। এবার সে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরো বাড়তে চলেছে। থ্রেডস নামে প্রায় টুইটারের মতোই এক অ্যাপ চালু করেছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের কোম্পানি ‘মেটা’।
জাকারবার্গ এই অ্যাপটিকে টুইটারের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি জনগণের কথাবার্তা বলার জন্য এমন একটি অ্যাপ দরকার, যেখানে একশ কোটির বেশি মানুষ থাকবে টুইটারের এই সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা সেটা পারেনি।
অন্যদিকে প্রযুক্তি ধনকুবের ইলন মাস্ক গত বছরের অক্টোবরে টুইটার কিনে নেয়ার পর হতে এটি বেশ কিছু বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এসব পরিবর্তনের কারণে যেসব টুইটার ব্যবহারকারী অসন্তুষ্ট, নতুন অ্যাপ থ্রেডস তাদের আকৃষ্ট করতে পারে।
তবে টুইটারের মালিক ইলন মাস্ক এর পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছেন, টুইটারকে প্রায়ই অনুকরণ করা হলেও এর ব্যবহারকারীদেরকে কখনও নকল করা যায় না। থ্রেডসের অনেক বৈশিষ্ট্য টুইটারের মতোই। যেমন পোস্ট ৫০০ বর্ণের বেশি হতে পারবে না।
তবে থ্রেডস যে পরিমাণে ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করবে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্ল্যাটফর্মগুলো তার সমালোচনা করেছে। থ্রেডস ডাউনলোড করলে এটি ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্য, আর্থিক এবং ব্রাউজিং সংক্রান্ত তথ্যসহ অনেক ধরনের তথ্য সংগ্রহ করবে।
ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট দিয়েই থ্রেডস অ্যাপে লগইন করা যাবে। চাইলে আবার আলাদাভাবেও ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ, ইনস্টাগ্রামে প্রবেশ না করেও অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে। বিশ্বের একশ’র বেশি দেশে এখন থ্রেডস ব্যবহার করা যাবে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে এখনো এটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়নি, এটি নিয়ন্ত্রণের উপায় বের করতে না পারার কারণে।
একাত্তর/আরবিএস