প্রতি বছর হবে বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট

দেশে প্রতি বছর বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। রোববার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলের বল রুমে দুই দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া স্টার্টআপ বাংলাদেশ সামিট-২০২৩ শেষ হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতি বছর এই সামিট অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বক্তব্য রাখেন- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, স্টাটআপ বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামী আহমেদ, ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ভ্যান গুয়েন।

সামিটে ভারত-বাংলাদেশ স্টার্টআপ ব্রিজিং পোর্টাল ও ভবিষ্যতের উদ্যোক্তাদের জন্য কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ড ও স্মার্ট বাংলাদেশ এক্সেলেটর উদ্বোধন করা হয়। এছাড়াও দেশের শীর্ষ স্টার্টআপদের সেবা প্রদর্শন এবং ফিনটেক, এডটেক, হেলথটেক, এগ্রিটেক নিয়ে দুই দিনে ৪০টি সেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং ইয়্যুথ কো ল্যাব স্টার্টআপ বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালমান এফ রহমান বলে,ন স্টার্টআপদের পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্ত না হয়েও বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়ার সুবিধা নিশ্চিত করে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয় দেশে নিতে কোনো বাধা নেই।

তিনি বলেন, সাধারণত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয় দেশে নিয়ে যাওয়া ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই ক্ষেত্রে আইনি কোনো বাধা নেই। তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে এটাতো বৈধ। 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে আগামী বছর থেকে নিয়মিত বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট করা হবে বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। 

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ  বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া স্টার্টআপ ব্রিজ, কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ড এবং স্মার্ট বাংলাদেশ এক্সেলেটর উদ্বোধন করেছেন। এসব ঘোষণা দিয়ে তিনি স্টার্টআপদের এগিয়ে নিয়েছেন। আমাদের তরুণরা তাদের উদ্বাবনী ধারণা দিয়ে বেশ ভালো করছে। আমরা পুল অব ট্যালেন্ট তৈরিতে মনোযোগী হয়েছি। তিনি বলেন স্টার্টআপরাই হবে দেশের স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট বাংলাদেশের মেরুদণ্ড। 

অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ বাংলাদেশে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহেমেদ জানিয়েছেন, প্রথম বারের মতো করা হলেও বিভিন্ন দেশ থেকে ৭২ জন বিনিয়োগকারী, ৩ হাজার উদ্যোক্তা অংশ নিয়েছেন। তারা আমাদের তরুণদের সম্ভাবনা দিয়েছেন। আশা করি আগামী বছর আরো বড় পরিসরে এই আয়োজন করা হবে।


একাত্তর/এসি