ইন্টারনেট স্বাভাবিক হতে লাগতে পারে তিন থেকে চারদিন

দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সিমিউই-৫ দিয়ে প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে ইন্টারনেট গতি স্বাভাবিক হতে আরও তিন থেকে চারদিন লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার অ্যাসোসিয়েশন।

একাত্তরকে সংগঠনটির সভাপতি ইমদাদুল হক জানান, ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল লাইসেন্সধারীরা যদি নিজেরা উদ্যোগ নেয়, তাহলে দ্রুত সমস্যার সমাধান হতে পারে।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি বলছে, সিঙ্গাপুরে ফাইবার কেবল কাটা পড়ায় দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সিমিউই-৫ দিয়ে ১৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সিমিউই-৪ সাবমেরিন কেবল দিয়ে বিকল্পভাবে ব্যান্ডউইথ সরবরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে বলছে প্রতিষ্ঠানটি। ওদিকে শুক্রবার রাত থেকে দেশজুড়ে ইন্টারনেটের দুর্বল গতির কারণে অনলাইননির্ভর ব্যবসায়ী ও ফ্রিল্যান্সাররা পড়েন চরম বিপাকে।

এদিকে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ জানিয়েছেন, সিমিউই-৫ দিয়ে দেশে এক হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ হয়। এটি এখন বন্ধ আছে। সিমিউই-৪ (প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল) দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। 

তিনি জানান, সিঙ্গাপুরে ফাইবার ক্যাবল ব্রেক করায় বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। শনিবার বিকেলে মধ্যে জানা যাবে কবে নাগাদ এ অবস্থা স্বাভাবিক হবে।

দেশের মোট ব্যান্ডউইথ ব্যবহার এখন পাঁচ হাজার জিবিপিএস। দুই সাবমেরিন ক্যাবলের বাইরে প্রায় দুই হাজার ৭০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল কেবল (আইটিসি) মাধ্যমে স্থল সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা হয়।

২০২৫ সালের মধ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি-মি-উই ৬ থেকে আরও ১৩ হাজার ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ যুক্ত হবে।