দেশে ১০ বছরের লাইসেন্স পেলো স্টারলিংক

স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক সার্ভিসেস বাংলাদেশ, লিমিটেডকে দুটি লাইসেন্স হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ইলন মাস্কের মালিকানাধানী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর পথ খুলল।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে এ লাইসেন্স দুটি হস্তান্তর করা হয়। 

বিটিআরসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্টারলিংককে ১০ বছর মেয়াদে  “ননজিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট অরবিট অপারেটর লাইসেন্স” ও “রেডিও কমিউনিকেশন অ্যাপারেটার্স লাইসেন্স” নামে দুটি আলাদা লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে বিটিআরসি থেকে স্টারলিংককে এই লাইসেন্স দুটি হস্তান্তর করা হয়। প্রথম লাইসেন্সটি হস্তান্তর করেছে বিটিআরসির লাইসেন্সিং বিভাগ, যার মাধ্যমে স্টারলিংক বাংলাদেশে তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। দ্বিতীয় লাইসেন্সটি হস্তান্তর করা হয় বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে; যার আওতায় ইন্টারনেট–সেবা প্রদানের জন্য অনুমোদিত তরঙ্গ ব্যবহার করাসহ বেতার যন্ত্র ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ আমদানি ও ব্যবহার করতে পারবে স্টারলিংক।

প্রথম লাইসেন্সটি স্টারলিংক গ্লোবাল লাইসেন্সিং অ্যান্ড মার্কেট এভিয়েশনের পরিচালক রেবেকা স্লিক হান্টারের কাছে হস্তান্তর করেন লাইসেন্সিং বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল সৈয়দ মো. তৌফিকুল ইসলাম। এ সময় লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের মহাপরিচালক জনাব আশীষ কুমার কুন্ডু এবং উপপরিচালক জনাব মো. নাহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় লাইসেন্সটি রেবেকা স্লিক হান্টারের নিকট হস্তান্তর করেন স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানা। অনুষ্ঠানে স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিনুল হক এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাকারিয়া ভুঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সোমবার স্টারলিংকের লাইসেন্স অনুমোদন দেন।