পর্যটনের স্বর্গরাজ্য হিসাবে খ্যাত মালদ্বীপে সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রথম দিন থেকেই ভাল সাড়া পাচ্ছে বেসরকারি উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠান ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স।
আকাশ পথে বছরের পর বছর এই রুটে অস্বাভাবিক ভাড়ায় একচেটিয়া ব্যবসা করে আসছিলো মালদ্বীভিয়ান এয়ারলাইন্স। ইউএস বাংলার ফ্লাইট চালুর পর ভাড়া কমেছে প্রায় অর্ধেক।
মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আক্ষেপ করে বলেছেন, ব্যবসা রয়েছে, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে মালদ্বীপে আনতে পারেননি।
মালদ্বীপের মোট জনসংখ্যার পাঁচ ভাগের এক ভাগই বাংলাদেশি। আকাশ পথে চার ঘণ্টা দূরত্বের এই দেশটি থেকে বাংলাদেশ আসতে এতোদিন একমুখী যাতায়াতে ৪৫ হাজার টাকা লাগতো।
করোনাকালে যা ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌছায়। আর সরাসরি ফ্লাইট চালাতো শুধু মালদ্বীভিয়ান এয়ারলাইন্স।
গত বছরের নভেম্বরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স চালুর পর থেকে এই ভাড়া এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, মালদ্বীপে ফ্লাইট পরিচালনা করে তারা ব্যবসা সফল হয়েছেন।
মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জানান, ব্যবসা সফল হবে এটি বুঝে আগেই তিনি সরকারি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ বিমানকে মালদ্বীপে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: গালি শুনে পদ ছাড়তে চান ইভ্যালির এমডি
কিন্তু নানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা আটকে আছে। ইউএস বাংলার চেয়ে বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজ ও জলবল দুটোই বেশি।
তারপরও দক্ষতা ও ব্যবসায়িক দিক থেকে প্রতিনিয়ত বিমানকে পেছনে ফেলছে এই বেসরকারি এয়ারলাইন্সটি।