মানিকগঞ্জের পাইকারি ও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০টাকা কমেছে। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। আর খুচরা বাজারে ৬০ টাকা।
তবে কমেনি সোয়াবিন তেলসহ অন্যান্য নিত্যপন্যের দাম। চাল, ডাল, চিনিসহ সব ধরনের ভোগ্য পন্য গেলো সপ্তাহে যা বেড়েছিল তা আর কমেনি।
পাইকারি ও খুচরা দোকানে ৫ লিটারের সোয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এক লিটারের সোয়াবিন গায়ের মূল্য ১৬৮টাকায় কিনতে হচ্ছে খুচরা দোকানিদের। বিক্রিও করতে হচ্ছে ১৬৮ টাকায়। এতে অনেক দোকানি এখন আর তেল রাখছেন না দোকানে।
শাকসবজির দামও বেশি। শীত সবজির দাম ৪০ টাকার মধ্যে থাকলেও গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০টার ওপরে। করলা কেজি প্রতি ১২০টাকা, ঢেড়শ ১৪০ টাকা, চিচিংগা ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রংপুরে পাঁচ টাকার নিচে নেমেছে টমেটোর কেজি। একই সঙ্গে আলু, পেঁয়াজ, শিম, পেঁপে, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসা, গাজর, পালংশাক, লালশাক, পুঁইশাক ও কাঁচা মরিচের দাম কমেছে।
গত দুই দিন ধরে রংপুরের বড় পাইকারি মোকাম, সদর উপজেলার পালিচড়া, মিঠাপুকুরের বলদিপুকুর, জায়গিরহাট, শঠিবাড়ি, বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পাইকারি বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি।
লাউয়ের দামেরও অবস্থা একই। ১০০ লাউ বিক্রি সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা বিক্রি করছেন কৃষকরা। হিসাবে প্রতি পিস লাউ ৩০ টাকা। সেই লাউ আড়তদার নিয়ে প্রতি পিস বিক্রি করছেন ৬০-৭০ টাকা।
একই অবস্থা শিমেরও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা। সেই শিম আড়তদারদের কাছ থেকে কিনে ৬০-৭০ টাকা বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।