রোজার আগেই বাড়ছে বিদেশি ফলের দাম। শুধু তাই নয়; আঙুর, আপেল, কমলা আর মাল্টার মতো বিদেশি ফল পাইকারি বাজারেই সকালে-বিকালে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে এসব ফলের দাম লাগাম ছাড়া। ব্যবসায়ীদের যুক্তি আমদানি খরচ বেশি, ডলারের দাম বাড়া ও বাড়তি শুল্কের কারণেই দাম বাড়ছে।
দেশে এখন প্রতিদিন বিদেশি ফলের চাহিদা ১৭ লাখ কেজি। রোজায় এই চাহিদা বেড়ে ২০ লাখ কেজিতে পৌছায়। চাহিদা বেশি থাকে বলেই বাড়ে ফলের দাম।
কিন্তু, এবার ভেঙেছে অতীতের সব রেকর্ড। এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ। সামনের সময়ে আরও বেড়ে যাবার সতর্ক বার্তাও দিয়েছেন ফল ব্যবসায়ীরা।
এক মাস আগে, সবুজ আপেলের কেজি ছিলো ২০০ থেকে ২২০ টাকা। এখন সেটি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। রয়েল গালা আপেলের কেজি এখন ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। এক মাস আগে যা ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা।
মাল্টার কেজি এখন ২২০ থেকে ২৫০টাকা। এক মাস আগে ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। কেজিতে দেড়শ’ টাকা বেড়ে এক কেজি নাশপাতি এখন ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।
এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে কমলা ৩২০টাকা। কেজিতে ১৫০ টাকা বেড়ে লাল আঙুর ৫০০ টাকা। সবুজ আঙুর ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা।
রোজায় চাহিদার শীর্ষে থাকা খেজুরের দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক। ইরানি, মরিয়ম, আজহা, মেটজুল ও ফরিদা খেজুরের দাম বেড়েছে কেজিতে আড়াইশ’ টাকা পর্যন্ত।
আমদানিকারকরা বলছেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি ২০ শতাংশ শুল্ক, ২৫ শতাংশ ডিউটি, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, পাঁচ শতাংশ অগ্রিম আয়কর আর চার শতাংশ অ্যাডভান্স ট্রেড ভ্যাট এসব কারণেই দাম বেড়ে যাচ্ছে। সামনে আরও বাড়তে পারে।
ঢাকা মহানগর ফল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সম্পাদক শেখ আ. করিম বলেন, ডলারের দাম না কমলে, আমদানি করা ফলের দাম আর কমবে না। উল্টো বাড়বে।