মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদের উদ্যোক্তা হয়ে বদলে গেছে অনেকের জীবন। যে কোন কাজের পাশাপাশি নগদের এজেন্ট হয়ে বাড়তি উপার্জনের পথ খুলেছে বহু মানুষের।
আয়ের নতুন উৎস খুঁজে পাওয়া এমন মানুষের সংখ্যাটা এখন ২ লাখ ২০ হাজার। যাদের হাত ধরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছে সাত কোটিরও বেশি মানুষ।
গৃহিণী থেকে এখন সফল নারী উদ্যোক্তা নারায়ণগঞ্জের সেলিনা কাজী। নিউ চাষাড়া তার ছোট্ট এই দোকান। মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’ তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে।
নগদের আয় থেকে হাত খরচ মিটিয়ে তিন সন্তানকে লেখাপড়াও করাচ্ছেন তিনি। যোগান দিচ্ছেন সংসার খরচও। নগদের হাত ধরেই আরও স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষায় সেলিনা।
নারায়ণগঞ্জ ফলের আড়তে বসেই ‘নগদে’ প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা লেনদেন করেন আব্দুল রাজ্জাক। মূলত ফলের আড়তদারই তার কাস্টমার।
নগদের এজেন্ট হয়ে এমন আরও দুইটি দোকান দিয়েছেন তিনি। ‘নগদ’ থেকে এখন তার কমিশনই আসে দিনে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা।
সেলিনা-রাজ্জাকের মতো দেশে এমন দু’লাখ ২০ হাজার উদ্যোক্তার মাধ্যমে সোয়া সাত কোটি মানুষকে সেবা দিচ্ছে নগদ। মোবাইলে আর্থিক সেবার ৩৫ শতাংশ লেনদেন হচ্ছে নগদে।
আরও পড়ুন: এক মাসে কেজি প্রতি খেজুরের দাম বেড়েছে ৫০০ টাকা
২০১৯ সালের ২৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে ‘নগদ’র কার্যক্রম শুরু হয়। শুরু থেকেই ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে সেবা দিচ্ছে ‘নগদ’।
আধুনিক প্রযুক্তিতে সহজেই সেবা দেওয়ার কারণে প্রান্তিক অঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত মানুষটিও এখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত হতে পারছেন।
একাত্তর/আরএ