করমুক্ত আয়সীমা বেড়ে সাড়ে তিন লাখ

প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা ৫০ হাজার টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা করা হয়েছে। 

গত অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ছিল ৩ লাখ টাকা। এবার তা আরও ৫০ হাজার টাকা বাড়ানো হল। 

অর্থাৎ কোনো ব্যক্তির বার্ষিক আয় যদি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হয়, তাহলে তাকে আয়কর দিতে হবে।

এদিকে নারী ও ৬৫ বছরে বেশি বয়সী করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমাও বেড়েছে। ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এটা ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন: দাম বাড়ছে, দাম কমছে

এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে দুপুরে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে মন্ত্রিসভা নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দেয় মন্ত্রীসভা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, মুদ্রাস্ফীতির কারণে করদাতাগণের প্রকৃত আয় হ্রাস পেয়েছে বলে কোম্পানি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ব্যতীত অন্যান্য শ্রেণীর করদাতা, বিশেষ করে স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা কিছুটা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এতে ব্যক্তি করদাতাদের করভার লাঘব হবে বলে করদাতারা নিয়মিতভাবে কর পরিশোধে উৎসাহিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

একই সঙ্গে সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশে নির্ধারণের প্রস্তাবও করেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থাৎ নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী অর্থবছর থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হবে না। পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ে কর দিতে হবে ৫ শতাংশ হারে। তার পরবর্তী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর দিতে হবে ১০ শতাংশ হারে।

এর পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হবে ১৫ শতাংশ। তার পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হবে ২০ শতাংশ। 

আর তার চাইতেও যদি বেশি আয় হয় সেক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হবে।


একাত্তর/এআর