লোডশেডিং আর তাপদাহের সুযোগে চার্জার ফ্যানের বাজারে চলছে নৈরাজ্য। কয়েক দিন আগেও যে ফ্যানের দাম ছিলো তিন হাজার টাকা, পাইকারি বাজারে তা এখন বিক্রি হচ্ছে সাড়ে সাত থেকে আট হাজার টাকায়। আর খুচরো বাজারে বেড়েছে আরও বেশি।
খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, ইচ্ছে মতো দাম বাড়াচ্ছেন আমদানিকারকরা। তবে কথা না বলে, টেলিভিশনের ক্যামেরা দেখে সটকে পড়েন নবাবপুরের চার্জার ফ্যান আমদানিকারকরা।
নবাবপুর ও গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, লোডশেডিং ও গরমের এই সময়ে গত এক সপ্তাহের তুলনায় প্রতিটি চার্জার ফ্যানের মান ও আকারভেদে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা বেড়েছে। বেশি বেড়েছে বিদেশ থেকে আমদানি করা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফ্যান।
ইলেকট্রনিক পণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার নবাবপুর। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সেখানে আসা এসব খুচরা ব্যাবসায়ীরা বলছেন, লোডশেডিং আর তীব্র গরমের সুযোগে পাইকারিতে অস্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে চার্জার ফ্যান।
তাদের দাবি, চার্জার ফ্যান মজুদ করে বেশি দামে কিনতে বাধ্য করছেন পাইকাররা। এতসব অভিযোগ যেসব আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে তাদের বক্তব্য নিতে গেলে অনেকেই দোকান বন্ধ করে সটকে পড়েন। শুধু তাই নয়, সাংবাদিকদের সাথে অসদাচরণ করেন মোজাম্মেল মার্কেটের কয়েকটি দোকানের ব্যবসায়ীরা।
কথা না বলে অনেক আমদানিকরক যখন দোকান বন্ধ করে পালাচ্ছেন তখন একজনকে পাওয়া গেলো কথা বলার জন্য। তিনি বলছেন, সময়মত এলসি না করতে পারায় চাহিদার বিপরীতে সরবরাহের ঘাটতির কারণে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চার্জার ফ্যান।
ভোক্তারা বলছেন, সরকারি কোনো সংস্থার তদারকি না থাকায় লোডশেডিং ও গরমের সুযোগে চার্জার ফ্যানের বাজারে রীতিমত ডাকাতি চলছে।
একাত্তর/আরবিএস