ডলারের দাম বেড়েছে ৩৩ শতাংশের মতো আর এই সুযোগে কসমেটিকস থেকে শুরু করে খেলনা ও বেবি আইটেম, স্পোর্টস ও ইলেকট্রিক আইটেমের মতো পণ্যের দাম বাড়ানো হয়েছে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত। চকবাজারের বারোয়ারি পণ্যের বাজারে চলছে এমনই নৈরাজ্য!
আমদানিকারকরা বলছেন, এলসি জটিলতার সাথে এখন কাস্টমসের হয়রানিও বেড়েছে অনেক, যা বাজারে প্রভাব ফেলেছে।
চকবাজার। পুরান ঢাকায় চারশ’ বছরের পুরনো এই ব্যবসাকেন্দ্র এখনও দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার। ‘সুই-সুতা’ থেকে শুরু করে সাজসজ্জা কিংবা গৃহসজ্জা; হাজারো পণ্য সারাদেশের বাজারে যায় এখান থেকেই।
কসমেটিকস, বেবি আইটেম, খেলনা, ইলেকট্রিক পণ্য, স্পোর্টস আইটেমস কী নেই এখানে। আমদানিকৃত পণ্য মজুদকারী আর পাইকারদের হাত বদলে পৌঁছে যায় সারাদেশের শহর ও গ্রাম-গঞ্জে।
এলসি জটিলতায় এই বাজারেও এখন আমদানি সংকটের প্রভাব পড়েছে। চকবাজারের ব্যবসায়ীরা বললেন, এক বছর আগে ৮৫-৮৬ টাকা ডলার রেটে পণ্য আমদানি করে দেশের বাজারে তা ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি করতেন তারা। তবে এই হিসেব ঠিক থাকলে এখন ডলারের অফিসিয়াল রেট ১১৩ থেকে ১১৪ টাকায় আমদানি পণ্য বিক্রি হওয়ার কথা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। কিন্তু তা বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়।
এলসি জটিলতার সাথে সাথে বন্দরে পণ্য খালাসে কাস্টমসের হয়রানিও অনেক বেড়েছে বলে জানালেন চকের ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, হরতাল-অবরোধে গেলো মাসের ২৮ তারিখ থেকে ক্রেতার খরা যাচ্ছে চকবাজারে। এতে বিক্রি আরও তলানিতে নেমেছে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির হিসেবে পুরান ঢাকার সব পাইকারি বাজারে প্রতিদিনের মোট বেচাকেনা হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে চকবাজারেই লেনদেন হয় এককভাবে সবচেয়ে বেশি ।
গরম কাপড়ের ঠান্ডা বাজার