আলু আমদানির সিদ্ধান্ত; কৃষিমন্ত্রী বললেন, সমাধান দুই বছরে

অবশেষে আলু আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারে। আগ্রহী আমদানিকারদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে আলু ও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির সমস্যা দুই বছরের মধ্যে মিটে যাবে বলে মনে করছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজারে আলুর সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর আগে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে হিমাগার ও খুচরা পর্যায়ে দাম বেঁধে দেয় সরকার। দাম কার্যকর করতে সারাদেশে টানা অভিযানও চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। হিমাগারে গিয়ে তদারকিও করে সংস্থাটি। তারপরও আলুর বেঁধে দেওয়া দাম কার্যকর হয়নি।

দেশে ডিমের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তা সামাল দিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডিম আমদানির অনুমোদন দেয় সরকার। তিন দফায় মোট ১৫ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও একটিও ডিমও এখনও দেশে এসে পৌঁছাইনি। এর মধ্যেই আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এখন বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, যা দেশের সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ। গত ১০ বছরের আলু প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা উঠেছিলো।

এদিকে সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আলুর উৎপাদন বেড়েছে। নতুন জাতও আনছি। এবার অস্বাভাবিক দামবেড়েছে। দাম বাড়ানো কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গত দুদিনে আরও বেড়েছে।’

হিমাগার মালিকদের সিন্ডিকেটকে দোষারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমরা (সরকার) দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। কার্যকর হয়নি। কোল্ড স্টোরেজ সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছে। ফলে আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। আড়ৎ ও কোল্ড স্টোরেজগুলো মিলে এ অবস্থা করেছে। যতোটা রপ্তানি হয়েছে তাতে এমন অবস্থা হওয়ার কথা নয়।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ ও আলুর সমস্যা আগামী দুই বছরের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।