অ্যাপলকে টপকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানি এখন মাইক্রোসফট। শেয়ার বাজারে অ্যাপলের চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে শীর্ষস্থান হারিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বছরের শেষদিক থেকেই উঠতির দিকে রয়েছে মাইক্রোসফটের শেয়ারে। চ্যাটজিপিটি মেকার ওপেনএআইতে বিনিয়োগই এর কারণ বলছে সংশ্লিষ্টরা।
সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের বিশ্বের সবচেয়ে দামী কোম্পানি হিসেবে কিছু সময়ের জন্য অ্যাপলের জায়গা দখল করার সবশেষ ঘটনা ঘটেছিলো ২০২১ সালে। যদিও সে সময় এই ঘটনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, কারণ লেনদেন শেষে আবারও নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছিল অ্যাপল।
কিন্তু এবার আর এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় শুক্রবার মাইক্রোসফটের শেয়ার ১ শতাংশ বেড়ে কোম্পানিটির বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮৮৭ ট্রিলিয়ন ডলার। যেখানে অ্যাপলের শেয়ার শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে বাজারমূল্য হয়েছে ২ দশমিক ৮৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার।
সব মিলিয়ে নতুন বছরের এই কয়েকদিনেই মাইক্রোসফটের শেয়ার বেড়েছে ২ শতাংশ। তাতে প্রতিষ্ঠানটির মোট বাজারমূল্য হয়েছে ২ দশমিক ৯০৩ ট্রিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে অ্যাপলের শেয়ার কমেছে দশমিক ৯ শতাংশ। ফলে কোম্পানিটির মোট বাজারমূল্য হয়েছে ২ দশমিক ৮৭১ ট্রিলিয়ন ডলার।
মূলত চ্যাটজিপিটিতে বিনিয়োগের বদৌলতেই বিগত বেশ কয়েক মাস ধরেই ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে মাইক্রোসফটের শেয়ার। এদিকে অ্যাপলের শেয়ার বেশ কিছুদিন ধরেই ঝিমিয়ে পড়েছে। শেয়ার বাজারে অ্যাপলের চাহিদা কমেছে বেশ কিছুটা। মাইক্রোসফট যে অ্যাপলকে টপকে যাবে, সেই বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন শেয়ারবাজারের অনেক বিশেষজ্ঞই।
গত বছর নিজেদের উৎপাদনশীল সফটওয়্যার খাতে ওপেনএআইয়ের প্রযুক্তি সমন্বিত করেছে মাইক্রোসফট, যার সাহায্যে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের প্রান্তিকে কোম্পানির ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবসা আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে, নিজেদের সবচেয়ে বড় আয়ের খাত আইফোনের চাহিদা কমতে দেখেছে অ্যাপল। রয়টার্স বলছে কোম্পানির তৃতীয় বৃহত্তম বাজার অর্থাৎ চীনে হুয়াওয়ের মতো স্থানীয় কোম্পানির চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণেই এমনটি ঘটেছে আইফোনের কপালে।