বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ায় চড়ছে মূল্যস্ফীতির পারদও, যা এখন প্রায় দুই অঙ্কের ঘরের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
গত মে মাসে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ, যা এর আগের মাসে এপ্রিলে ছিলো ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ একমাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ১৫ বেসিস পয়েন্ট।
সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশ করা মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্যেেএ চিত্র দেখা গেছে।
গত দুই বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির রাশ টানতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। চলতি অর্থবছরে বাজেটে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও কার্যত তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এর আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২২-২৩ সালের জুন থেকে মে পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ছিলো গড়ে ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা লাফ দিয়ে বেড়ে হয়েছে গড়ে ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
তাই উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনাই অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিবিএসের হিসাবে, মে মাসে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমলেও লাফিয়ে বেড়েছে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির হার, বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৪ পয়েন্ট বেসিস। বিবিএসের হিসাবে, খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ, যা এপ্রিলে ছিলো ১০ দশমিক ২২।
এদিকে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ১৫ বেসিস পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ। আর গ্রামের তুলনায় শহরাঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়েছে।
শহর এলাকায় মুদ্রাস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং গ্রামীণ অঞ্চলে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।