চলতি বছরের অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি ছিলো আট দশমিক ১৭ শতাংশ। নভেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে আট দশমিক ২৯ শতাংশ। আর খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রেও বাড়তি ছিলো এই হার।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নভেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের চেয়ে বেশ খানিকটা বেড়ে নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছাড়িয়ে গেছে সোয়া সাত শতাংশের ঘরে। মূলত, নভেম্বরের অকাল বৃষ্টির কারণে মাসজুড়েই চড়া ছিল নিত্যপণ্যের বাজার। যার প্রভাব পড়ে মূল্যস্ফীতির ওপর।
‘মূল্যস্ফীতি একধরনের করের মতো। আপনার প্রতি মাসে আয়ের পুরোটাই সংসার চালাতে খরচ হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ জিনিসপত্রের দাম বাড়লে এবং সে অনুযায়ী আপনার আয় না বাড়লে আপনাকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হবে কিংবা খাবার, কাপড়চোপড়, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে কাটছাঁট করতে হবে। মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বা আয় বৃদ্ধি কম হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। প্রকৃত আয় কমে যায়।’
তবে, খাদ্য বহির্ভূত পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে এই হার সামান্য কমেছে নভেম্বরে এসে। যদিও তা এখনও ৯ শতাংশের ওপরে।
বিবিএস বলছে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল আট দশমিক ০৪ শতাংশ। এর মানে হলো, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম।
মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। অন্যান্য মাসের তুলনায় ওই নির্দিষ্ট মাসে দাম বৃদ্ধি হয়তো কিছুটা কম হয়েছে—এটাই বোঝায়।
