ডিম আমদানি নয়, সিন্ডিকেট ভাঙার চেষ্টা চলছে: মৎস্য উপদেষ্টা

দেশেই চাহিদার বেশি উৎপাদন হওয়ায় ডিম আমদানির পক্ষে নয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বরং সিন্ডিকেট ভেঙে দাম স্বাভাবিক রাখতে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। 

বুধবার সকালে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের কার্যক্রম সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন তিনি। 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলেও জানান ফরিদা আখতার। আর সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা জানান বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসেবে বর্তমানে দেশে প্রতিদিন সাড়ে চার কোটি ডিমের চাহিদা থাকলেও সবমিলিয়ে উৎপাদন প্রায় ছয় কোটি। তাই দুই দফায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ডিম আমদানির পক্ষে নয় বলে জানান সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা। 

ফরিদা আখতার বলেন, অনুমোদন দেবার পর এখন পর্যন্ত ১১ লাখ ডিম এসেছে। তাই আমদানি নয় সিন্ডিকেট ভাঙার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ ও ভারতে মাছ না ধরার সময়সীমা একই করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আসছে রমজানেও ট্রাকসেলর মাধ্যমে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলেও জানান ফরিদা আখতার।

এদিকে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা দাবি করেন বাজারে স্বস্তি ফিরেছে।

এদিন ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন ১০ হাজার মেট্রিকটন চিনি ও গম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি।