ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির পর ব্যাপক হারে বেড়েছে শিরায় দেওয়া স্যালাইনের চাহিদা। সেই সুযোগে ৮৭ টাকার হাজার মিলি লিটার এক ব্যাগ স্যালাইন এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকায়। ওষুধ প্রশাসন জানিয়েছে, কেউ বেশি দাম নিলে তার বিরুদ্ধে ড্রাগ কোর্টে মামলা করা হবে।
বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সভা কক্ষে আয়োজিত স্যালাইনের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, পাইকারি, খুচরা বিক্রেতা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভায় এ কথা বলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক আশরাফ হোসেন।
সভায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানায়, গেলো ১০/১২ বছরে স্যালাইনের দাম এক টাকাও বাড়ানো হয়নি। উৎপাদনকারীদের ভাষ্য, এখন ৯ লাখ ব্যাগ বেশি স্যালাইন উৎপাদন করা হচ্ছে।
স্যালাইন উৎপাদন ও বাজারজাত করে এমন সাতটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানান, স্বাভাবিক সময়ে মাসে যেখানে গড়ে ৪৪ লাখ ব্যাগ স্যালাইন উৎপাদন হতো, সেখানে এখন উৎপাদন হচ্ছে ৫৩ লাখ ব্যাগ।
তবে স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না এমন অভিযোগ এনে উৎপাদনকারীদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে লিপ্ত হন কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতারা।
এসময় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক আশরাফ হোসেন বলেন, ২০১৩ সালের পর স্যালাইনের দাম বাড়ানো হয়নি। কেউ বেশি দাম নিলে তার বিরুদ্ধে ড্রাগ কোর্টে মামলা করা হবে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে এমআরপির বাইরে এক টাকাও বেশি দাম নিলেই তারা ব্যবস্থা নেবেন।
মতবিনিময় সভায় অনিয়মে জড়িতদের ড্রাগ লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করেছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা।