সূত্রাপুরের কাগজি টোলায় একটি বাসায় আগুনের ঘটনায় দগ্ধ আরো এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে শিশুসহ মৃত্যু হলো দুই জনের।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় দগ্ধ রোকনের (১৪)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ণ ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, রোকনের শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলো। এছাড়া চিকিৎসাধীন বাকি তিন জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি জানান, বর্তমানে রিপন ৬০ শতাংশ, চাঁদনী ৪৫ শতাংশ ও তামিম ৪২ শতাংশ নিয়ে ভর্তি আছে। তাদের শ্বাসনালী দগ্ধ হয়েছে। সবার অবস্থায়ই আশঙ্কাজনক। এর আগে ৬৩ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যায় আয়েশা।
গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত একটার দিকে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে এক পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হন। দগ্ধরা হলেন ভ্যানচালক রিপন (৩৫), তার স্ত্রী চাঁদনী (২৮), তাদের তিন সন্তান- রোকন (১৪), তামিম (২২) ও আয়েশা (১)। রিপন পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী সামুদাবাদ গ্রামের বাসিন্দা।
দগ্ধ চাঁদনীর মামা জাকির হোসেন বলেন, একটি বাড়ির নীচ তলায় এক রুমে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতো রিপন। রাতে ঘুমিয়ে পড়লে যে কোনোভাবে ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে আগুন লাগে। এতে তারা পাঁচ জন দগ্ধ হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।