ভূমিকম্পের পর চট্টগ্রামে হেলে পড়া ভবন দুটি থেকে এখনো সরেনি বাসিন্দারা। ভবন দুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হলেও মালিকদের দাবি এগুলো আগে থেকেই হেলানো অবস্থায় ছিলো।
এদিকে, ভবনগুলো পরিদর্শন শেষে সিডিএ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) ভোরে, ভূমিকম্পে নগরীর চকবাজার কাপাসগোলার উর্দু গলি এবং খাজা সড়কের সাবানঘাটা এলাকায় দুইটি ভবন হেলে পড়ে।
এরমধ্যে, উর্দু গলির চারতলা ‘রহমান ভিলা’ ভবনটি হেলে পড়ে পাশের পাঁচ তলা ভবনের উপর। এতে দুটি ভবনের বাসিন্দারাই আতঙ্কে রয়েছেন।
একই ভাবে হেলে পড়েছে খাজারোডে পাশাপাশি থাকা চারতলা দুটি ভবন। এই দুটি ভবন একই পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন। তাই তারা কোন অভিযোগ করেননি।
এলাকার মানুষ হেলে পড়া ভবনগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরে যাবার পরামর্শ দিলেও মালিক পক্ষ বলছে এগুলো কয়েক বছর ধরে এভাবেই আছে। তাই আতঙ্কের কোন কারণ নেই।
ভবন মালিকরা দাবি করেছেন, আগে থেকেই একটি ভবন বাঁকা হয়ে হেলেছিল। এভাবেই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে।
দুটি ভবন এখন কতোটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে শনিবার ঘটনাস্থলে যান সিডিএ'র প্রকৌশলিরা।
আরও পড়ুন: ৯ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে আবারও রাজধানীর সড়কে শিক্ষার্থীরা
কর্মকর্তারা বলছেন, ভবনগুলো পাইলিং করে তৈরি হয়নি। তবে, এগুলোর মূল ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা তা জানতে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
পরীক্ষায় ভবনগুলোর ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রমাণ মিললে এগুলো সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে জানিয়েছে সিডিএ।
একাত্তর/আরএ