চট্টগ্রামের মাঝির ঘাট এলাকায় বহুতল ৫টি ভবন ও ২টি মন্দির হেলে পড়েছে। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) বিষয়টি টের পেয়ে আতঙ্কে ভবন ছেড়ে গেছে বাসিন্দারা। ইতোমধ্যে তাদের মালামালও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের নালার খনন কাজের সময় দুই পাশে নিরাপত্তা বেষ্টনি না দেওয়ার আশপাশের মাটি সরে যাচ্ছে। এই বিষয়টি একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যার কারণে ভবনগুলো হেলে পড়েছে।
সিডিএ কর্তৃপক্ষ বলছে, এ জায়গায় এর আগেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এখানে যারা ভবণ নির্মাণ করেছে তারা অবৈধ কাজ করেছেন।
সেনাবাহিনীর ৩৪ কনস্ট্রাকশনের প্রকল্প পরিচালক লেঃ কর্ণেল শাহ আলী বলছেন, এসব অবৈধ স্থাপনার নির্মাণ ত্রুটির কারণে খালের মাটি অপসারণের ফলে এসব বাড়ি ধসে পড়ছে।
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এই প্রকল্পের একটি হলো গুলজার খালের সম্প্রসারণ। এ খালের সংস্কার কাজ করতে গিয়ে খালের পাশে পার্বতী ফকির পাড়ায় ৫টি ভবন ও দুটি মন্দিরে ফাটল দেখা দেয় সে সাথে ভবনগুলোও হেলে পড়ে।
এ ঘটনায় সোমবার রাতেই ফায়ার সার্ভিসের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে মাইকিং করে ভবনের আশেপাশের লোকদের সরিয়ে দেন।
সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজটি ২০১৭ সালে শুরু হয়ে ২০২০ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সিডিএ কর্তৃপক্ষ আরো ২ বছর সময় বৃদ্ধি করেছেন।
একাত্তর/ এনএ