দক্ষিণাঞ্চলের সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে আগুনের ঘটনায় দগ্ধ ৩৫ জন বর্তমানে ভর্তি আছেন বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে।
তাদের চিকিৎসা দিতে ঢাকা থেকে আসা মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা এরিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, আইসিইউ’র দুজনসহ সবাই এখন শঙ্কামুক্ত।
অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগার পর শুক্রবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যালে ভর্তি হন দগ্ধ ৮১ জন রোগী।
এদের মধ্যে ১৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় ঢাকায়। আর বর্তমানে ভর্তি আছেন ৩৫ জন, যাদের দুজন চিকিৎসাধীন আছেন আইসিইউতে।
শনিবার সকালে বরিশাল মেডিক্যালে পৌঁছেই কাজ শুরু করেন ঢাকা থেকে আসা চিকিৎসকরা। সকাল ১০টার পর তারা হাসপাতালের চক্ষু ইউনিটে স্থানান্তরিত রোগীদের চিকিৎসা শুরু করেন।
চিকিৎসক প্রতিনিধি দলের একজন ডা. মাসুরুর রহমান জানিয়েছেন, রোগীদের বর্তমান অবস্থা দেখে, সবাই মিলে পরবর্তী চিকিৎসা কার্যক্রমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
হাসপাতালের পরিচালক এ এইচ এস সাইফুল ইসলাম জানান, ভর্তি রোগীদের সবারই শারীরিক অবস্থা বর্তমানে ভালো আছে। আইসিইউতে থাকা দুজনও শঙ্কামুক্ত জানান তিনি।
তিনি আশ্বস্ত করেন, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে যে কাউকে ঢাকায় পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দগ্ধদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা করা হয়েছে।
এদিকে, অগ্নিদগ্ধদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে আসেন সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। রোগীদের সব ধরণের চিকিৎসার চিকিৎসার আশ্বাস দেন তারা।
হাসপাতালে ভর্তি অনেকেই বলছেন, নিজে বেঁচে ফিরলেও, স্বজনদের খোঁজ এখনো মেলেনি। দ্রুত তাদের সন্ধ্যানের আবেদন জানিয়েছেন তারা।