পোশাককর্মী ধর্ষণের দায়ে গার্মেন্টস কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

রক্ত দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে সাভারের একটি গার্মেন্টস কারখানার এক পোশাককর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম নামে ওই গার্মেন্টসের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরের পর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার ইয়াগি বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেডে কর্মরত এক নারী পোশাকশ্রমিক ধর্ষণের অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ আমলে নিয়ে একে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর ওই নারী আশুলিয়ার ইয়াগি বাংলাদেশ গার্মেন্টসে হেলপারের চাকরি নেন। ২৩ ডিসেম্বর দুপুরে খাবারের জন্য বিরতি দিলে অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে তিনি নিজেও খেতে যাচ্ছিলেন।

এসময় কারখানার এক নারী এসে রক্ত লাগবে জানিয়ে তাকে নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই জাহাঙ্গীর আলমসহ আরও দুজন ছিলেন। রক্ত নেয়ার কথা বলে ইনজেকশন দিয়ে প্রথমে ভুক্তভোগীকে অচেতন করা হয়। পরে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায় তারা।

আরও পড়ুন: প্রবেশন শর্ত পূরণে শাস্তি পাওয়া ৯ আসামি মুক্ত

মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি শ্রমিকদের মধ্যে জানাজানি হলে তারা কাজ বন্ধ করে দিয়ে কর্মবিরতির মাধ্যমে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) জামাল সিকদার জানান, একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক তাকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ দেন। মঙ্গলবার রাতেই সেটি মামলা হিসেবে নেয়া হয়। আটক করা হয় জাহাঙ্গীরকে। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থানার সাকতলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আশুলিয়ার ইয়াগি বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেডে ‘অ্যাডমিন অফিসার’ হিসেবে কর্মরত। 

তিনি আরও জানান, ওই নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। 


একাত্তর/এসজে