দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতা নিহত

মাদারীপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম লিংকন(৩০) নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

এর আগে, একইদিন রাত ৮টার দিকে মাদারীপুর-শরীয়তপুর আঞ্চলিক সড়কের খোয়াজপুর ইউনিয়নের মধ্যেরচর এলাকায় দুটো মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে হয়। 

নিহত তৌহিদুল ইসলাম লিংকন মাদারীপুর শহরের বাগের পাড় এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে মাদারীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন অনিক বলেন, পারিবারিক কাজে তৌহিদুল ইসলাম লিংকন মাদারীপুর শহর থেকে মোটরসাইকেলযোগে সদর উপজেলার মঠের বাজারের দিকে যাচ্ছিল। একইসময় রানা (৩০) ও মমিন শিকদার (১৭) মঠের বাজার থেকে খিচুরী খেয়ে মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন।

খোয়াজপুরের মধ্যেরচর এলাকায় আসলে দ্রুত গতির একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে মোটরসাইকেল দুটোর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই মোটর সাইকেলের তিন আরোহীই গুরুতর আহত হয়।

আরও পড়ুন: নিখোঁজের পরদিন জঙ্গলে মিললো মাদ্রাসাছাত্রীর দগ্ধ মরদেহ

প্রাথমিকভাবে আহতদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে আনা হলে লিংকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত লিংকন দীর্ঘদিন ধরে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তার বাড়ী সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নে হলেও তিনি পরিবারসহ মাদারীপুর পৌর শহরের বাগেরপাড় এলাকায় বসবাস করতেন।

এদিকে হাসপাতালে ভর্তি আহত রানা মাদারীপুর সবুজ বাগের আরব আলীর ছেলে এবং অপর আহত মমিন শিকদার একই এলাকার সোবাহান শিকদারের ছেলে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। এদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম লিংকনের অবস্থা তখন গুরুতর ছিল।

তাই মাদারীপুর সদর হাসপাতাল থেকে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ফরিদপুর মেডিকেলে পাঠান। সেখানে নেয়ার পর লিংকনকে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন।


একাত্তর/টিএ