রাত ভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা ক্রমেই বেড়েই চলেছে।
বৃহষ্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বৃষ্টি আর ঘন মেঘে ঢেকে আছে সমস্ত অঞ্চল। সেই সাথে বইছে হিমালয়ের বরফ ছোঁয়া উত্তরের হিমেল ঠান্ডা হাওয়া।
এতে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুন। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে খেটে-খাওয়া নিম্ন শ্রেণির মানুষ। রাত বাড়ার সাথে সাথেই বাড়ছে ঠান্ডার তীব্রতা।
শীতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে শহর ও গ্রামীন জনপদের মানুষ।
কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর অববাহিকায় আছে ৪০৫টি চর-দ্বীপচর। এখানে প্রায় ৬ থেকে ৭ লক্ষ মানুষ বাস করে, যাদের অধিকাংশ শ্রমজীবী।
আরও পড়ুন: করোনায় একদিনে রেকর্ড ১৬ লাখ শনাক্ত
এসব মানুষের পর্যাপ্ত শীত বস্ত্র না থাকায় চরম কষ্টে দিন কাটায় তারা। ঠান্ডা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে বেড়েছে মানুষের বেড়েছে রোগ-ব্যাধির প্রবণতা।
বিশেষ করে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। প্রতিদিন হাসপাতালগুলোতে রোগীর ভিড় বাড়ছে। ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শিশুরা।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক সুবল চন্দ্র সরকার জানান, বুধবার সকালে কুড়িগ্রামে সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী মাসে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলেও জানান তিনি।
এদিকে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার জন্য বরাদ্দ ৩৫ হাজার ৫শ পিচ কম্বল ৯ উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে। ৯টি উপজেলায় আরও ৩০ হাজার কম্বল বিতরণ চলছে।
একাত্তর/টিএ