বগুড়ায় হত্যা মামলার ছদ্মবেশে পলাতক থাকা আসামি হেলাল ওরফে বাউল সেলিমকে পুলিশে সোপর্দ করেছে র্যাব। পরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে র্যাবের একটি দল তাকে ঢাকা থেকে বগুড়ায় নিয়ে এসে বগুড়া সদর থানায় সোপর্দ করে ৷ পরে দুপুরে তাকে আদালতে পাঠালে শুনানি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত ৷
বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, হরিজন সম্প্রদায়ের বিষ্ণু এবং স্কুলছাত্র মাহমুদুর হাসান বিদ্যুৎ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল বাউল সেলিম ওরফে হেলাল ৷
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, তার বিরুদ্ধে ২০০১ সালে রবিউল হত্যার একমাত্র মামলার রেকর্ড রয়েছে। বাকি দুটো হত্যা মামলার কোনো নথিপত্র তাদের কাছে নেই ৷ তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বিষ্ণু এবং রবিউল হত্যাকাণ্ডে আসামির তালিকায় তার নাম ছিল৷
এদিকে স্কুলছাত্র মাহমুদুর হাসান বিদ্যুতের মা তাহেরা বেগম জানান, এলাকায় মাদক বিক্রি রোধ করার কারণে তার ছেলেকে হত্যা করে হেলাল ও তার সহযোগীরা।
আরও পড়ুন: শেরপুরে তক্ষকসহ আটক এক
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেই সময় অন্য হত্যাকাণ্ডের বাদিপক্ষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মামলাগুলো তুলে নেওয়া হয়েছিল ৷
অন্যদিকে বাউল সেলিম ওরফে হেলালের মা ছেলের খুনের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে বলেন, এলাকার সন্ত্রাসীদের সঙ্গে মেলামেশার কারণেই সে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে ৷
এর আগে বুধবার (১২ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছদ্মবেশী বাউল হেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাব জানায়, মামলা এড়াতে তিনি প্রায় ২০ বছর ছদ্মবেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তার বিরুদ্ধে তিনটি খুনের অভিযোগ আছ।
একাত্তর/এসি