নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক ছাড়াই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী সাত ফেব্রুয়ারি উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপজেলাটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরর নির্বাচনী এলাকা। এদিকে দলীয় প্রতীক ছাড়া ভোট হওয়াতে ভোটের মাঠে তৈরি হয়েছে ভিন্ন আমেজ।
আগামী সাত ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জের যে ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো হলো-সিরাজপুর, চর পার্বতী, চর হাজারী, চর কাঁকড়া, চর ফকিরা, রামপুর, মুছাপুর ও চর এলাহী।
স্থানীয়রা বলছেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় নির্বাচন জমে উঠেছে। অংশ নেওয়া প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুনসহ প্রার্থীদের ছবিতে ছেয়ে গেছে প্রতিটি ওলিগলি। মাইকের আওয়াজে সরগরম প্রতিটি এলাকা। দিনে-রাতে সমান তালে চলছে প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রচার। উঠান বৈঠক, পথসভা আর ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন প্রার্থীরা।
এদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের প্রতীক বিহীন নির্বাচন হলেও নির্বাচনের মাঠে নেই বিএনপি। প্রতিটি ইউনিয়নে জামায়াতের প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ থাকায় বসুরহাট মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও আওয়ামী লীগের একটি অংশ সমর্থন দিয়েছেন তাদের পছন্দের আট জন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে। আর তার প্রতিপক্ষ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলসহ আওয়ামী লীগের একাংশ সমর্থন দিয়েছেন পৃথক আট জনকে।
ভোটাররা বলছেন, যেহেতু দলীয় প্রতীকে ভোট নেই, তাই কেন্দ্রে ঝামেলা হবে না। তারপরেও সুষ্ঠু ভোট হলে তারা পছন্দের ও যোগ্য প্রার্থীকে দেখেশুনে ভোট দেবেন।
আরও পড়ুন: অ্যাম্বুলেন্সে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দুইজন গ্রেপ্তার
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান জানান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আটটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৯ জন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৭৯ জন এবং সাধারণ ওয়ার্ডে ৩০৪ জন প্রার্থীসহ মোট ৪২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর মোট ভোটার এক লাখ ৮২ হাজার ৫২৮। তার মধ্যে পুরুষ ৯৩ হাজার ৭৫৭ জন এবং নারী ৮৮ হাজার ৭৭১ জন ।
একাত্তর/এসি