হিমালয়ের কোল ঘেঁষা পঞ্চগড় জেলার পর এবার গাজীপুরে ফুটেছে নেদারল্যান্ডেরফুল টিউলিপ। আর সেই টিউলিপ দেখতে দলে দলে মানুষছুঁটে যাচ্ছেন সেখানে।
দুই বছর আগে দেলোয়ার হেস নামের এক ফুলচাষি টিউলিপের চাষ শুরু করেন।সফলতা পাওয়ায় এবার বেড়েছে সেই বাগানের পরিধি।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পূর্বখণ্ড গ্রামের দেলোয়ার হোসেনেরবাগানে এখন রঙ ছড়াচ্ছে শীতপ্রধান দেশের ফুল টিউলিপ
প্রথমবার ২০২০ সালে সীমিত পরিসরে তার বাগানে বাজিমাত করেছিলেন ফুলফুটিয়ে। এবার তৃতীয়বারের মতো তার বাগানে ফুটেছে টিউলিপ।
লাল, হলুদ, সাদাসহ সাত রংয়ের টিউলিপের মেলা বসেছে তার বাগানে। সেইবাগান দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। মুগ্ধ হচ্ছেন ফুলের রূপ দেখে।
তবে দর্শনার্থী সীমিত করতে দেলোয়ার হোসেন এবার প্রবেশ ফি নির্ধারণকরেছেন ১০০ টাকা। সঙ্গে আছে নানা ধরনের বিধিনিষেধ।
ভারতের কাশ্মীর, নেদারল্যান্ডসহ শীত প্রধান দেশে আমাদের দেশের অনেকেইভ্রমণে গিয়ে দৃষ্টিনন্দন এ ফুলটি দেখতে পেতেন। এবার দেশেই সেই টিউলিপ দেখতে পাচ্ছেনতারা।
দর্শনার্থীরা জানান, টিউলিপময় ভালোবাসার ছোঁয়া নিতে গাজীপুরে ছুটেএসেছেন। নানা রঙের ফুলে মুগ্ধ তারা। বলেন, যে কারও ক্লান্তি দূর করবে এই টিউলিপ।
উদ্যেক্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, দুই বছর আগে নেদারল্যান্ড থেকে টিউলিপেরচারা এনেছিলেন তিনি। লাভজনক হওয়ায় এবার বাড়িয়েছেন চাষের পরিধি।
তিনি বলেন, চাহিদার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন বিদেশি ফুল দিয়ে আমার স্বপ্নযাত্রাশুরু হয়। নানা প্রতিবন্ধকতার পরও থেমে থাকিনি। এবার টিউলিপও ফুটেছে। সামনে আরো আসবে।
এবার দেলোয়ারের বাগানের প্রতি পিস ফুল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। ভবিষ্যতেশীতের সময় টিউলিপের চাষ বাড়াতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার কৃষি কর্মকর্তা।
একাত্তর/এসএ