ডাকাতির ১২ দিন পর ডাকাত দলের আট সদস্য গ্রেপ্তার

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ইরতা গ্রামে দুইটি বাড়িতে ডাকাতির ১২ দিন পর আন্তঃজেলা আট ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলার পুলিশ সুপার মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত আ: ওহাবের ছেলে মিন্টু মিয়া (৬০), মধুডাঙ্গা গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (২৯), কুনি কুশরা গ্রামের রাব্বি মিয়ার ছেলে বিশু মিয়া (৩৫), চরপাড়া গ্রামের মঞ্জু মোল্লার ছেলে আশরাফুল মোল্লা (২০), গাংগুটিয়া গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে আ: কাদের স্বপন (৩৫), গাজীপুরের গোসাত্রা উত্তর কাঞ্চনপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তাইজুদ্দিন (৬০), আটাবর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৭) ও গাইবান্ধার ধুসরিয়া গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ফকিরের ছেলে মো: বাদল হোসেন (২৮)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৭ জানুয়ারি রাত একটার দিকে ইরতা গ্রামের নুর উদ্দিনের একতলা বিল্ডিংয়ের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে ১০/১২ জনের সংঘবদ্ধ ডাকাতদল। এসময় ডাকাতরা নুর উদ্দিনসহ পরিবারের তিন সদস্যকে হাত-মুখ বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রায় ছয় ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। পরে ডাকাতরা নুর উদ্দিনের প্রতিবেশী প্রবাসী শাকিল খানের স্ত্রী মর্জিনা বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করে। ডাকাতরা মর্জিনা বেগমকে মারপিট করে সাড়ে পাঁচ ভরি স্বর্ণ, ২০ ভরি রুপার অলঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নুর হোসেন সিংগাইর থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন: নিপুণের সাধারণ সম্পাদক পদ স্থগিত

তিনি আরও জানান, ঘটনার ১২ দিন পর সিংগাইর থানা পুলিশ ঢাকার ধামরাই, আশুলিয়া, সাভার ও গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, ছুরি ও চারটি লোহার রডসহ এক ভড়ি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ পাঁচ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


একাত্তর/আরবিএস