বিভিন্ন অসুখ, খাবার ও ওষুধের অতিরিক্ত দামের কারণে নরসিংদীতে ধ্বংসের
মুখে পোল্ট্রি শিল্প। এরই মধ্যে জেলার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে।
এতে দুর্ভোগে পড়েছেন খামারীরা। যদিও প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা বলছেন, সবসময়ই তাদের মাঠ কর্মীরা পোল্ট্রি খামারগুলো মনিটরিং করছেন।
জেলার ছয় উপজেলায় কয়েক বছর ধরে গড়ে উঠেছে ছয় হাজারেরও বেশি পোল্ট্রি খামার। ছোট বড় এসব খামার থেকে পুরো জেলার চাহিদা মিটিয়ে মাংস-ডিম পাঠানো হয় সারাদেশে।
কিন্তু গত তিন বছরে ধ্বস নেমেছে পোল্ট্রি শিল্পে। খামারিরা বলছেন, বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়লেও সঠিক চিকিৎসা মিলছে না।
পাশাপাশি ওষুধ ও মুরগির খাবারের দাম বাড়ায় তারা বিপাকে পড়েছেন। সব মিলিয়ে খামারকে আর লাভজনক করা যাচ্ছে না বলেই অভিযোগ তাদের।
নরসিংদী জেলায় ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় পোল্ট্রি খামার মিলিয়ে গত তিন বছরে তিন হাজারের বেশি খামার বন্ধ হয়ে গেছে। একই পথে আছে আরো শত মত খামার।
আরও পড়ুন: নতুন বোলিং কোচ পেলো টাইগাররা
খামারিরা বলছেন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে থেকে উত্তরণ চান তারা।
খামারি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, পোল্ট্রি শিল্প দখল করা বহুজাতিক কোম্পানিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা জরুরি। সেই সঙ্গে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সরকারের নজরদারি।
একাত্তর/আরবিএস