বন্ধ ঘোষণার ২১ মাস পরেও বকেয়া পাওনা বুঝে পায়নি আমিন জুট মিলসহ ২৬টি পাটকলের হাজারো শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী। এসব পাটকল একযোগে বন্ধ করা হয়েছিলো।
এতে মানবেতর জীবন পার করছেন অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। রমজানে সমস্যার সমাধান না হলে অনশনের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়ার হুশিয়ারী দিয়েছে শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
সরকার আকস্মিকভাবে ২০২০ সালের ২ জুলাই দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬টি পাটকলের উৎপাদন বন্ধ ও শ্রমিক-কর্মচারীদের ছাঁটাই করে।
তখন সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, দুই মাসের মধ্যে শ্রমিকদের সব পাওনা পরিশোধ এবং তিন মাসের মধ্যে কারখানার উৎপাদন চালু করা হবে।
২০২০ সালে আমিন জুট মিল বন্ধ ঘোষণার ২১ মাস পার হলেও এখনও নিজেদের পাওনা বুঝে পাননি মিলের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। বন্ধ মিলও চালু করা হয়নি। এমনকি চালুর কোনো সম্ভাবনাও পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের আমিন জুট মিল একটি। সেখানকার কর্মীরাও এখনও পাওয়া বুঝে পাননি। পাওনা আদায়ে সভা সমাবেশ করে যাচ্ছেন শ্রমিকরা।
কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে অনেকেই নাম ঠিকানা ভুলের কারণে বকেয়া পাওনা না পেয়ে অর্থ কষ্টে আছেন তারা। আবার অনেকে মারাও গেছেন। তাদের পরিবার এখন পাওনার জন্য ঘুরছেন।
সিবিএর নেতারা জানান, অবিলম্বে সমস্ত কর্মকর্তা কর্মচারীর বকেয়া পাওনা শোধ না করলে আমরণ অনশনের মত কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবেন তারা।
২০২০ সালের ২ জুলাই আমিন জুটমিলসহ সারাদেশে ২৬ টি পাটকল একযোগে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।তাতে বেকার হয়ে পরেন হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচারী।