দেশের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখীর আঘাতে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে সন্দ্বীপে স্পিড বোট ডুবে দুই শিশু মারা গেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, মানিকগঞ্জ, কুমিল্লায়ও একজন করে মারা গেছেন।
বুধবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর মেহেদীবাগ, প্রবর্তক মোড়সহ কয়েকটি রাস্তায় জলজট তৈরি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে পথচারী ও সড়কে থাকা যানবাহনের যাত্রীরা।
এদিকে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরে গাছ চাপায় রিনা আক্তার নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকার লোকজন।
চট্টগ্রামের সন্দীপে স্পিড বোট ডুবির ঘটনায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর নিখোঁজ রয়েছেন দুইজন।
কুমিরাঘাট নৌ-পুলিশ জানিয়েছে, ঝড়ো আবহাওয়ার মধ্যেই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ২০জন যাত্রী নিয়ে বোটটি সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ঘাট ছাড়ার আধা কিলোমিটার দূরে গুপ্তছাড়া ঘাটের কাছাকাছি এসে সেটি উল্টে যায়।
ভোলায় মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখীর আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। এলাকার লোকজন জানান, সকাল ৮টার থেকে শুরু হয় ঝড় বৃষ্টি, এতে গাছপালা ভেঙে যায়, ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।
এছাড়া উত্তাল অবস্থায় রয়েছে মেঘনা, তাই আতঙ্কে আছেন লঞ্চসহ অন্যান্য নৌযানের যাত্রীরা। এদিকে লক্ষ্মীপুর, মানিকগঞ্জ ও কুমিল্লায় গাছচাপায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।