এবারের ঈদযাত্রায় শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি ও বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রীদের ব্যাপক ভোগান্তির শঙ্কা রয়েছে। ফেরি ও ঘাট সঙ্কটের কারণে যাত্রী পারাপার নিয়ে হিমশিম খেতে হবে কর্তৃপক্ষকে।
মাঝিরকান্দিতে নতুন একটি ফেরিঘাট নির্মাণের কাজ চললেও গাড়ি ওঠা নামার রাস্তা এখনও বেহাল। ঘাটের ঠিকাদাররা বলছেন ফেরি যুক্ত করা না গেলে ভোগান্তি কমানো যাবে না।
ঈদে যাত্রী চাপ সামলাতে শরীয়তপুরের মাঝিরকান্দি অংশে চলছে নতুন ফেরিঘাট নির্মাণ কাজ। পাশেই চলছে নদী খনন কাজ।
ঘাট মেরামত চললেও ফেরীতে গাড়ি ওঠা নামার রাস্তার অবস্থার এখনও বেহাল। খানাখন্দে ভর্তি মাটির সড়ক। একটু বৃষ্টিতেই বাড়বে ভোগান্তি।
নতুন এই ঘাটের কাজ শেষ হবে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই। ঠিকাদার জানান, রাস্তা ঠিক না হলে ঈদ যাত্রায় কষ্ট বাড়বে। তারা চেষ্টা করবেন ঈদের আগেই কাজ শেষ করার।
পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় বাংলাবাজার ফেরিঘাটে ফেরী চলাচল বন্ধ থাকবে রাত ১০টার পর। তাই মাঝিরকান্দির দুটি ঘাটেই পড়বে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ। সংকট আছে ফেরিরও।
এখন মাত্র ছয়টি ফেরী চলাচল করছে। ঈদে দশটি ফেরী দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হবে। আগের ঈদগুলোতে ১৬ টি ফেরী দিয়েও শতভাগ সেবা নিশ্চিত করা যায়নি।
এবার ফেরির সংখ্যা অর্ধেক। তাই যাত্রী চাপ সামলানো কঠিন হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমনিই ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে থাকে, ঈদের সময়ে সেটা সব সীমা ছাড়িয়ে যাবে।
এবার লম্বা ছুটিতে মানুষের চাপ বাড়বে। লঞ্চ চালকরাও বলছেন হিমশিম খেতে হবে যাত্রী পারাপারে। সেই সঙ্গে ঈদের সময়ে ঝড়-বাদলের শঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা।
স্পিডবোডেও পারাপার হবে যাত্রী। শরীয়তপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার কয়েক লাখ মানুষ পারাপার হবে এই ঘাটে।