দুই ফেরি বিকলে যান পারাপারে হিমশিম অবস্থা

ঈদের এখনো সপ্তাহখানেক বাকী থাকলেও ঘরমুখো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। ঘাটে পারের অপেক্ষায় আটকে আছে ৫শ’র ওপর পন্যবাহী ট্রাক।

এরইমধ্যে এই নৌরুটে চলাচলকারী ১৯টি ফেরির  মধ্যে গত দুইদিন ধরে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও এনায়েতপুরী নামের দুইটি বড় ফেরি নষ্ট হওয়ায় সেগুলো মেরামতে রয়েছে। এছাড়াও হাসনাহেনা, রজনীগন্ধা ও মাধবীলতা ফেরি তিনটিও বিকল হলেও সেগুলোকে সাময়িক মেরামত করে পুনরায় চালানো হচ্ছে।  ফেরি কমে যাওয়ায়  এবং একসঙ্গে বাস-ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি পারাপার করতে গিয়ে হিমশিমে পড়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

একদিকে, ঘাটে পারের অপেক্ষায় ৫’শর ওপরে পন্যবাহী ট্রাক আটকে রয়েছে। পাশাপাশি যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসগুলো ফেরি পার হতে ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দুই থেকে তিন ঘন্টা পর্যন্ত। বাসযাত্রীরা অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের কারণে যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসের ব্যক্তিগত গাড়ি পারাপারে সময় বেশী লাগছে।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা সেক্টরের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শাহ নেওয়াজ বলেন, ঈদযাত্রার ঘরমুখো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। পাশাপাশি পন্যবাহী ট্রাকও আসছে অনেক বেশী। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার সকালেই ঘাটে পারের অপেক্ষায় রয়েছে ৫শ ট্রাকসহ দুই শতাধিক যাত্রীবাহী বাস ও ছোট গাড়ি। একসঙ্গে এত গাড়ি পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে।

তিনি জানান, বিরতিহীনভাবে ফেরিগুলো চলাচল করায় কয়েকটি ফেরি বিকল হয়েছে। সেগুলোকে স্থানীয়ভাবে মেরামত করা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষ্যে আগামী দুইদিনের মধ্যে এই বহরে নতুন দুইটি ফেরি যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে পাটুরিয়াঘাট পরিদর্শন করেছেন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জিহাদুল কবির। ফেরিঘাটকে যানজটমুক্ত রাখাসহ ঈদের নিরাপদে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।

 

একাত্তর/এসএ