স্টিমার পি এস মাহসুদের ট্রায়াল যাত্রা দেখতে উপচে পড়া ভিড়

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৩৫ পিএম

আবারও জলে ভাসবে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী প্যাডেল স্টিমার পি এস মাহসুদ। আসছে নভেম্বরের ১৫ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে পুনরায় চলাচল শুরু করবে এই স্টিমারটি।

এমন কথা জানিয়ে নৌ উপদেষ্টা ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও নদীভিত্তিক পর্যটনের এক অনন্য মেলবন্ধন হতে যাচ্ছে। ভ্রমণপিপাসুরা আবারও অতীতের স্টিমার ভ্রমণের স্বাদ নিতে পারবেন।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর সদরঘাট থেকে ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটে ‘পি এস মাহসুদ’ -এর পরীক্ষামূলক যাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা জানান।  এ সময় স্টিমারটি দেখতে সেখানে ছিলো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

উপদেষ্টা বলেন, স্টিমারটি এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আজকের ট্রায়াল ট্রিপের মাধ্যমে যান্ত্রিক ও নেভিগেশন সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে। ১৫ নভেম্বর জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে পিএস মাহসুদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এরপর এটি নিয়মিত পর্যটন সার্ভিস হিসেবে চলাচল শুরু করবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর শতবর্ষী ঐতিহ্যের এ স্টিমারকে ঢাকা–বরিশাল নৌরুটে আগামী মাস থেকে নদীকেন্দ্রিক পর্যটন সার্ভিসে যুক্ত করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন সংরক্ষণের পর আধুনিক সুবিধা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন রূপে নদীপথে ফিরছে এ ঐতিহ্যবাহী জলযান।

নৌ উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত আরো বলেন, স্টিমার পি এস মাহসুদ কেবল একটি নৌযান নয়, এটি বাংলাদেশের নদীজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক। আমরা চাই নতুন প্রজন্ম কাছ থেকে দেখুক, কীভাবে একসময় নদীপথই ছিল যোগাযোগ ও সংস্কৃতির প্রাণ।

তিনি জানান, ‘পি এস মাহসুদ’ -এর পাশাপাশি পি.এস অস্ট্রিচ, পি.এস লেপচা ও পি.এস টার্নসহ আরও কয়েকটি পুরোনো স্টিমার সংস্কারের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। লক্ষ্য হলো- নদীপথের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নদীভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে বিস্তৃত করা।

তিনি বলেন, একসময় নদী ছিল বাঙালির জীবনরেখা। আমরা চাই মানুষ আবার নদীর সঙ্গে সেই সম্পর্ক নতুনভাবে আবিষ্কার করুক। মাহসুদ সেই সম্পর্কেরই প্রতীক হয়ে ফিরছে- এটি চলমান ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি।

স্টিমারটির সংস্কার ও আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় মূল কাঠামো ও ঐতিহাসিক নকশা অক্ষুণ্ন রেখে ইঞ্জিন, নিরাপত্তা ও ফায়ার সেফটি সিস্টেম সম্পূর্ণ নবায়ন করা হয়েছে। এতে রয়েছে আধুনিক কেবিন, পর্যটক-বান্ধব ডেক এবং ডিজিটাল নেভিগেশন ব্যবস্থা।

স্টিমারটি প্রতি শুক্রবার ঢাকা থেকে বরিশাল এবং শনিবার বরিশাল থেকে ঢাকা রুটে চলবে। যাত্রীরা উপভোগ করতে পারবেন নদীর সৌন্দর্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে এতে সংযোজন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা সরঞ্জাম, লাইফ বোট, ফায়ার সেফটি ও জিপিএস ব্যবস্থা। ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়েছে কম ধোঁয়া নির্গমনকারী প্রযুক্তি, যা নদীপথে দূষণ হ্রাসে সহায়ক হবে। স্টিমার পরিচালনায় থাকবেন ২৫ জন প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা ও নাবিক।

এআরএস
টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় নদনদী উত্তাল থাকায় গত তিনদিন ধরে জেলার অভ্যন্তরীণ ২০ রুটের নৌ-চলাচল বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। 
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে ঈদযাত্রায় লঞ্চের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। বেশিরভাগ বিলাস বহুল লঞ্চগুলোর বুকিং অফিস বরিশাল হওয়াতে গেল ২০ মার্চ থেকে কেবিনের চাহিদার আগাম স্লিপ নিয়েছেন যাত্রীরা। আর ৩১ মার্চ...
বিগত বছরগুলোতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের কাছে দুর্ভোগের নাম ছিল দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট। যা প্রতিটি ঈদে মহা দুর্ভোগে পরিণত হতো। ফেরি পেতে অপেক্ষা করতে হত ঘণ্টার পর ঘণ্টা।তবে এ বছর দেখা যাচ্ছে...
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বড়মাছুয়া-ঢাকা নৌ রুটের শত বছরের স্টিমার (রকেট) সার্ভিস বন্ধ হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে যাত্রী সঙ্কটে এ নৌ যানটি লোকসান গুনছে। তাই ঢাকা-মোড়েলগঞ্জ-ঢাকা...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর