বাংলাবাজার ঘাটে কমেছে যাত্রীর চাপ

বাংলাবাজার ঘাটে কমতে শুরু করেছে যাত্রীর চাপ। রোববার সকাল এবং গত তিনদিনের মতো যাত্রীদের ঢল নেই ঘাটে। লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরি থেকে নেমে গন্তব্যের গাড়িতে উঠে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। ফলে ঘাট এলাকায় জট তৈরি হচ্ছে না। 

যারা আসছেন, তারা স্বাচ্ছন্দ্যেই নিজ গন্তব্যের পরিবহনে উঠতে পারছেন। শিমুলিয়া প্রান্ত থেকে লঞ্চে ধারণক্ষমতা অনুযায়ী গুণে যাত্রী তোলায় এবং দীর্ঘসময় পর পর ফেরি ঘাটে এসে ভিড়ার ফলে বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রীদের আধিক্য কমে এসেছে। 

বাংলাবাজার ঘাট সূত্র জানিয়েছে, লঞ্চে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী উঠতে দেয়া হচ্ছে না। বাংলাবাজার লঞ্চ ঘাটেও প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে। ফলে শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের চাপ থাকলেও ধাপে ধাপে যাত্রীরা লঞ্চ ও স্পিডবোটে পার হয়ে বাংলাবাজার ঘাটে আসছেন। এছাড়া ফেরির সংখ্যা কম থাকায় শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ঘাটে দীর্ঘক্ষণ পর পর এসে ফেরি ভিড়ছে। যানবাহন আনলোড করে শিমুলিয়া গিয়ে আবার বাংলাবাজার ঘাটে আসতে দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ঘাটে যানবাহন আনলোড করার পর ফাঁকা থাকছে ঘাট। 

আরও পড়ুন: সংগ্রাম আর রক্তপাত ছাড়া দাবি আদায় হয় না: ফখরুল

যাত্রীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, নৌযানে যাত্রীদের চাপ একটু কমেছে। অতিরিক্ত চাপ নেই। স্বাভাবিক ভাবে যাত্রীরা লঞ্চে পার হয়ে আসছেন। বাংলাবাজার ঘাটেও যানবাহনে চাপ নেই।


বাংলাবাজার টার্মিনালে থাকা বাসের একাধিক সুপারভাইজার জানান, লঞ্চ এবং স্পিডবোটে স্বাভাবিক যাত্রী আসছে। একসাথে অনেকগুলো লঞ্চ বা বোট এসে ঘাটে ভিড়ছে না। যার ফলে একসাথে যাত্রীদের চাপ তৈরি হচ্ছেনা। রোববার দুপুর থেকেই যাত্রীদের চাপ কমেছে। যাত্রীরা ঘাটে নামার পর বাসে উঠলেই বাস ছেড়ে যাচ্ছে। এ কারণেই ঘাটে যাত্রীদের জটলা তৈরি হচ্ছে না।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিরাজ হোসেন জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে। যাত্রীরা যাতে ঘাটে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে বিশেষ নজরও রাখা হচ্ছে।


একাত্তর/আরবিএস