শেরপুরের ৯ গ্রামে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে শেরপুরের নয়টি গ্রামে আজ পালিত হচ্ছে ঈদ উল ফিতর। 

সোমবার (২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামায়াতে শতাধিক করে মুসল্লী অংশগ্রহণ করেন। এসব জামায়াতে পুরুষ মুসুল্লীদের পাশাপাশি নারী মুসুল্লী একই জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। 

গ্রামগুলো হলো, শেরপুর সদর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ চরখারচর, বামনেরচর, গাজীরখামার গিদ্দাপাড়া, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয় আনি পাড়া, নকলা উপজেলার নারায়নখোলা ও চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার বনগাঁও চতল।

মুসুল্লী আব্দুল সাত্তার বলেন, অনেকদিন ধরে আমরা যারা এই এলাকায় বসবাস করি তারা সবাই সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের নামায আদায় করি। নামায আদায় শেষে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাই, তারা আমাদের বাড়িতে আসে। সারাদিন আমরা অনেক আনন্দ করি।

আরেক মুসুল্লী নূরনবী মিয়া বলেন, এটা একটা স্বাভাবিক বিষয়। কারণ আমরা সৌদির সাথে মিল রেখে রোজা ও ঈদ করি। নামায আদায় শেষে আমরা যার যার মতো ঘুরাফেরা করি, আত্মীয় ও বন্ধুদের বাড়িতে যাই, তারাও আসে আমাদের বাড়িতে। আজ নতুন নয় এটা। আমরা প্রতি বছরই পালন করে থাকি। আগে তাও কম কম মানুষ জামাতে অংশ গ্রহণ করতো, এখন দিন দিন তা বাড়তেছে।

তবে সাধারণ মুসুল্লীরা জানান, গত কয়েক বছর ধরে শেরপুরের এসব এলাকায় নিজেদের সুরেশ্বর দরবার শরিফের ভক্ত বলে দাবিদার কিছু লোক সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে ঈদ উল ফিতর পালন করে আসছে।

আরও পড়ুন: শিমুলিয়াতে দিনভর যুদ্ধ শেষে রাতের দিকে স্বস্তি

নকলা উপজেলার চরকৈয়া এলাকার ইমাম মাওলানা মো. সারোয়ার জাহান বলেন, প্রতিবছর সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে রোজা রাখাসহ ঈদের নামাজ পড়া হয়। তবে কোরবানি বাংলাদেশের ঈদের দিনই দেওয়া হয়।

গোবিন্দনগরের মুফতি হাফিজুল ইসলাম বলেন, এটা নতুন নয়, প্রতি বছরই আমরা জামাত করি। তবে করোনার কারণে গত বছর মসজিদে করতে হয়েছে, এবার করোনা না থাকায় মাঠে গিয়ে পড়তে পেরেছে মুসুল্লীরা। আগে মানুষ জামাতে অংশ নিতো কম, এখন দিন দিন মানুষ জামাতে অংশ নিচ্ছে বেশি।


একাত্তর/আরবিএস