বগুড়ার শেরপুর উপজেলা এনামুল হক (৩০) নামের এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকাল ৯টায় গাড়িদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া মহাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত এনামুল হক হাপুনিয়া কলোনি এলাকার মোতালেবের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গত সাত বছর আগে হাপুনিয়া এলাকার সালমা খাতুন নামের এক মহিলাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছিল এনামুল হক। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হলে সেই মামলায় তিন বছর কারাভোগ করে। এরপর গত ৪ বছর হয়েছে সে জামিনে মুক্তি পায়। জামিনে মুক্তি নিয়ে আসার পর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীনভাবে এলাকায় চলাফেরা করে। এবং অনেক রাত পর্যন্ত সে বাজার এলাকার আশেপাশে ঘোরাফেরা করে সকালে বাড়িতে ফিরত। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রাতে বাহিরে চলে যায়। সকালে স্কুল মাঠে শহীদ মিনারের পাশে তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত এনামুল হক তার খালা জাহানারা খাতুনের বাড়িতে থাকতো। এ বিষয়ে জাহানারা জানান, এনামুল মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলো। তাকে একটি টিনের ঘর দেয়া হয়েছিলো সেই ঘরটি সে বিক্রি করে ফেলেছে। পরে আবারো একটি ছোট কুঁড়ে ঘর দেয়া হয়েছিলো তাকে। সারারাত বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করে সকাল বেলা বাড়িতে এসে সে ওই কুঁড়েঘরে ঘুমাতো। আজ সকালে সে আর বাড়িতে ফেরেনি। সকাল সাড়ে আটটায় এলাকাবাসী তার লাশ দেখে আমাকে খবর দেয়।
আরও পড়ুন: সাকিবের দুই স্বর্ণ কোম্পানির নাম পরিবর্তনের পরামর্শ
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে মরদেহের গলায় ও পেটে ছুরির আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একাত্তর/আরএ