মাঙ্কিপক্স সন্দেহে নারীকে সাত দিন পর্যবেক্ষণের নির্দেশ

চুয়াডাঙ্গায় মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত সন্দেহে নারীর প্রাথমিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর তাকে আর সাতদিন পর্যবেক্ষণে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এর আগে এ রোগীর বিষয়ে ডাক্তার আবুল হোসেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিক্যাল দল গঠন করা হয়। 

এই মেডিকেল দলের নির্দেশে শুক্রবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় রোগীর স্বজনরা তাকে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ও শহীদ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক মতিউল হোসেনের কাছে নিলে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে সাত দিনের ব্যবস্থাপত্র দেন। 

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৯ জুন) শরীরে ফুসকুড়ি নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিনের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন ওই নারী। চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেন। 

তবে তাকে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত সন্দেহ করা হচ্ছে এমন খবর স্থানীয় পত্রিকায় এবং বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশ হলে স্বাস্থ্য বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়। 

শুক্রবার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন তৎপরতা শুরু করেন এবং এরপর পুনরায় ওই রোগীকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

আরও পড়ুন: বেলকুচিতে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে যুবলীগ কর্মীর ওপর হামলা

এরপর বিকেলে মেডিকেল টিম গঠনের মাধ্যমে তার শরীরের নমুনা পরীক্ষা এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে চিকিৎসা করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডক্টর মোহাম্মদ মতিউর হোসেন ফোসকা আক্রান্ত নারীর বিভিন্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করে জানান, মাঙ্কিপক্সের রোগ শনাক্ত করতে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। তবে ওই নারী গত তিনদিন হলো আক্রান্ত হয়েছেন। 

তিনি আরও জানান, অনেক সময় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও এমন চর্মরোগের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আরও সাত দিন পর নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বলা যাবে ওই নারী মাঙ্কিপক্স না অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।


একাত্তর/এসজে