চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ছয় জন, যাদের চার জনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতদের ১০ জনই হাটহাজারীর জুগিরহাট আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টারের ছাত্র-শিক্ষক। বাড়ি হাটহাজারীর আমানবাজার খন্দকিয়া গ্রামে। তারা খৈয়াছড়া ঝরনা দেখে ফিরছিলেন।
শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুর সোয়া একটার দিকে উপজেলার খৈয়াছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক মোস্তফা মাসুদ রাকিব (২৮), জিয়াউল হক সজীব (২৮), রিদোয়ান চৌধুরী (৩১) ও ওয়াহিদুল আলম জিসান (৩২)। শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার্থী হিশাম (১৮), আয়াত (১৮), মারুফ (১৭), তাসফির (১৮) ও হাসান (১৯)। নিহত অন্যজন হলেন- মাইক্রোবাস চালক গোলাম মোস্তফা (৩৫), তিনি হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডী এলাকার বাসিন্দা।
আহতরা হলেন- তাছমীর পাভেল (১৬), মো. মাহিম (১৮), মো. সৈকত (১৮), তানভীর হাসান হৃদয় (১৮), মো. ইমন (১৯) ও মাইক্রোবাসের চালকের সহকারী তৌকিদ ইবনে শাওন (২০)। তারা চমেক হাসপাতালের ২৪ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
এদিকে শুক্রবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার পর মরদেহগুলো পরিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দীন জানান, পরিবারের লোকজনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মিরসরাইয়ে দুর্ঘটনা: আরও চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
অপরদিকে এ ঘটনায় ওই লেভেলক্রসিংয়ের গেটম্যান সাদ্দামকে বিকেল ছয়টার দিকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ। দুর্ঘটনার কারণ জানতে চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) মো. আনছার আলীকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একাত্তর/এসি