চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন ঘোষিত পুর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবঞ্চিতরা ক্যাম্পাস অবরোধ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
কমিটি ঘোষণার পর রোববার (৩১ জুলাই) রাত থেকে পদবঞ্চিতরা ও সেইসাথে কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস অবরোধ করেন।
এর ফলে সোমবার (১ আগস্ট) সকাল থেকে ছেড়ে যায়নি কোনো ট্রেন এবং ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে আসেনি কোন বাস।
বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মনিরুল হাসান জানান, ক্যাম্পাসে কোনো ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য নিরাপত্তা বাহিনী সর্তক অবস্থায় রাখা হয়েছে। অবরোধের কারণে ট্রেন-বাস না চলায় কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।
ক্যাম্পাসে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সেখানে প্রক্টরিয়াল টিম অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. আহসানুল কবির।
এদিকে ট্রেন-বাস না চলায় ষ্টেশনে এসে অনেক ছাত্রছাত্রী ফেরত যান এবং অবরোধের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই বছর পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের ৩৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সই করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন কমিটিতে ৬৯ জন সহ-সভাপতি, ১২ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদক রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কিস্তির টাকা দিতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৫ জুলাই চবি ছাত্রলীগের দুই সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এতে সভাপতি করা হয় রেজাউল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় ইকবাল হোসেন টিপুকে। এই কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কিন্তু আড়াই বছর পেরিয়ে রুবেল-টিপুর কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
একাত্তর/এসজে