মৃত্যুর সাড়ে তিন মাস পর কবর থেকে তোলা হলো যুবকের লাশ

ঢাকার কেরানীগঞ্জে আদালতের নির্দেশে ময়না তদন্তের জন্য মৃত্যুর তিন মাস ১২ দিন পর এক যুবকের মরদেহ করব থেকে তুলেছে পুলিশ। ওই যুবকের পরিবারের অভিযোগ, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কথা বলে ময়না তদন্ত না করেই মরদেহ দাফন করা হয়েছিল।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার হাসনাবাদ কবরস্থান থেকে ওই যুবকের মরদেহ তোলা হয়।

নিহত যুবকের নাম সানজু। তিনি হাসনাবাদ বেপারীবাড়ি এলাকার শাহজাহান বাদশার ছেলে। সানজু বিদেশ থেকে লেখা পড়া শেষ করে বাবার ব্যবসার দেখাশোনা করতো।

মামলার বাদি ও নিহতের বাবা শাহজাহান বাদশা জানান, গত ছয় জুন সন্ধ্যায় সংবাদ পাই ছেলে সায়েদাবাদ যাওয়া পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি। পরে তাৎক্ষণিক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢামেক মর্গে সন্তানকে শনাক্ত করি। কিন্তু বিবাদিরা যোগসাজশ করে পোস্ট মর্টেম ছাড়াই মরদেহ দাফন করে। 

তিনি জানান যে, প্রথমে তিনি ভাই-ভাতিজাদের কথা শুনে এটিকে বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ভেবেই ছেলেকে দাফন করেন। পরে তাদের কথাবার্তায় ও মৃত্যুর আলামতে মনে এটি হত্যাকাণ্ড। 

তার দাবি, সম্পত্তি অবৈধভাবে গ্রাস ও ভোগ দখল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ওয়াসিম, টুটুল, শামসুজ্জামান, মিজানুর রহমান, হামিদা বেগম ও রিয়াদ আমার একমাত্র ছেলেকে হত্যা করেছে। 

তিনি আরও জানান, প্রথমে ওয়ারি থানা মামলা নেয়নি। পরে আদালতে মামলা করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, মৃত্যুর সময় থানায় কিছুই জানানো হয়নি। হঠাৎ নিহতের বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। 


একাত্তর/এসি