যশোরে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়ার একদিন পর এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে গুলি করে, কুপিয়ে ও এসিড পান করিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
রোববার (২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে যশোর সদর উপজেলার নারায়ণপুর শ্মশান ঘাটের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত রনি (২২) যশোর সদরের চাঁচড়া গোলদারপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার বাবুর আলীর ছেলে। তিনি কুমিল্লায় একটি কোম্পানির অধীনে বিদ্যুতের টাওয়ার স্থাপনের কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
স্বজনদের দাবি, ওই এলাকার ইমরোজ নামে এক যুবককে হত্যার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিহতের স্বজনরা জানান, সম্প্রতি ছুটিতে বাড়ি আসেন রনি। শনিবার বিকেলে একই এলাকার রকি, ইসজাজুল ও ইউসুফ পূজা দেখার কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান।
এরপর বহু খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। রোববার রাতে স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণপুর শ্মশান এলাকার একটি পুকুর থেকে রনির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্বজনদের অভিযোগ, রনিকে বুকের বামপাশে একটি গুলি করে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ও অ্যাসিড পান করিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: যুবককে গলাকেটে হত্যা, স্ত্রী পলাতক
তারা আরও জানান, নিহত রনি ভাতুরিয়া এলাকার ইমরোজ হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি তাদের।
চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আকিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রনির মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
তবে এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
একাত্তর/এসজে