পাহাড়ে গ্রেপ্তার সাত জঙ্গি ও তিন কেএনএফ সদস্য জেলে

বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ে র‌্যাবের হাতে আটক সাত জঙ্গি ও তিন কেএনএফ সদস্যকে রাঙ্গামাটি আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের জেলে পাঠিয়েছেন। 

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রাঙ্গামাটির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তারের আদালতে তাদের হাজির করা হয়। 

তারা হলেন- জঙ্গি সংগঠনের সদস্য সৈয়দ মারুফ আহমদ মানিক (৩১), ইমরান হোসাইন শাওন (৩১), কাওসার (৪৬), জাহাঙ্গীর আহম্মেদ (২৭), মো. ইব্রাহিম (১৯), আবু বক্কর সিদ্দীক বাপ্পী (২৩), পলক মিয়া (২৬) এবং পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কেএনএফ’র সদস্য জৌখান স্যাং বম (১৯), স্টিফেন বম (১৯), মাল সম বম (২০)।

কোর্ট পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, সাত জঙ্গি ও তিন কুকি-চিনের সদস্যকে রাঙ্গামাটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলেও রিমান্ড চাওয়া হয়নি। কয়েকদিন পর আবারও আদালতে হাজির করে রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হবে।

এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলার সীমান্তবর্তী মিয়ানমার সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে র‌্যাবসহ অন্য বাহিনীর অভিযানে নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বিয়া ও কুকি-চিন ন্যাশনাল পার্টির (কেএনএফ) সদস্যদের আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: স্বামীর সংসার করতে নোয়াখালীতে মিশরি তরুণী

পরে শুক্রবার সকালে বান্দরবানে সদরে নিয়ে আসা হয়। এরপর বিকেলে র‌্যাব ও পুলিশের পাহারায় তাদের রাঙ্গামাটিতে আনা হয়। 

প্রসঙ্গত, ওই অভিযানে র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-১৫সহ অন্য বাহিনীর সহস্রাধিক সদস্য অভিযানে অংশ নেয়।  অভিযানে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে ৯টি বন্দুক, বন্দুকের ৫০ রাউন্ড গুলি, ৬২টি কার্তুজ কেস, ছয়টি হাত বোমা, একটি কার্তুজ, দুটি কার্তুজ বেল্ট, একটি দেশি পিস্তল, একটি ওয়াকিটকি, তিনটি চার্জার, কুকিচিং লিখা ১০টি মানচিত্র এবং অস্ত্র, গোলা বারুদ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।


একাত্তর/এসি