শেরপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুল পড়ুয়া এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী চাচার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের নির্দেশে কিশোরীর বয়স নির্ধারণী পরীক্ষার জন্য তাকে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পিতৃহারা ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই চাচার নাম মো. বিল্লাল মিয়া (২৫)। সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের চরশেরপুর পশ্চিম দড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি।
ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত।
মামলার এজাহার ও কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান ওই কিশোরীর বাবা মারা গেছেন। তার মা চরশেরপুর ইউনিয়নের সরকারি মাটি কাটার প্রকল্পে কাজ করে অতিকষ্টে জীবন-যাপন করেন। কিশোরী স্থানীয় বিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়ার সময় রাস্তায় তাকে প্রায়ই কু-প্রস্তাব দিতেন প্রতিবেশী চাচা মো. বিল্লাল মিয়া। একপর্যায়ে কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে নানা জায়গায় ঘোরাফেরা শুরু করেন বিল্লাল।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি কিশোরীর মা কাজের জন্য বাইরে থাকার সুযোগে বিল্লাল ওই কিশোরীর ঘরে প্রবেশ করে শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা চালায়। এতে ওই কিশোরী বাঁধা দিলে পরে জোরপূর্বক তার হাত-পা বেঁধে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং এ ঘটনা কাউকে না জানাতে হুমকি দিয়ে যায় বিল্লাল। পরে কিশোরীর মা কাজ শেষে বাড়িতে এলে ঘটনা খুলে বলে।
আরও পড়ুন: মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি, ৯ জেলে নিখোঁজ
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল বলেন, ওই ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্ত বিল্লাল ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
একাত্তর/আরএ