পর্যটকদের তুলির আঁচড়ে কুয়াকাটা সৈকতে মৎস্য কন্যা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বালু দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কাল্পনিক মৎস্য কন্যার ভাস্কর্য।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সৈকতের ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় এমন নান্দনিক চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন গাজীপুর থেকে আসা পর্যটক মো. রফিক ও তার বন্ধুরা। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সৈকতে ছিলো ভাস্কর্যটি। পরে জোয়ারের পানিতে মুছে যায় এটি।

সৈকতে বালুতে মৎস্য কন্যারূপে ভাস্কর্যটি তৈরি করে স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন রফিক।

প্রত্যক্ষদর্শী পর্যটকরা জানান, মানুষ এবং মাছের বৈশিষ্ট্য নিয়ে ফুটিয়ে তোলা এই প্রাণীটি দেখতে নারীর মতো। যার আছে কোমর অব্ধি সোনালী চুল। শরীরের উপরিভাগ নারীদের মতো এবং নিচের দিক মাছের মতো লেজযুক্ত। এটি শুধু মাত্র সৈকতে কিছু বালু সরিয়ে এবং কিছু বালু স্থাপন করে তৈরি করা হয়েছে।


সকাল থেকেই ভাস্কর্যটি দেখতে ভিড় জমান ভ্রমণে আসা পর্যটকরা।

মৎস্য কন্যার ভাস্কর্য তৈরিকারক পর্যটক রফিক মিয়া জানান, আমি ও আমার বন্ধুরা কুয়াকাটায় বেড়াতে এসেছি। আমাদের আসলে তেমন কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তবে মাঝে মাঝে ময়ূর, আনারসসহ বিভিন্ন ভাস্কর্য তৈরি করেছি। এখানে শুধুমাত্র আমরা বালু ও একটি কাঠি ব্যবহার করেই এটা করেছি।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক আফরোজা আশা বলেন, খুব সুন্দর এঁকেছেন তারা। দেখতে অবিকল মৎস্য কন্যা। এমন একটি ভাস্কর্য সৈকতে স্থায়ীভাবে উপস্থাপন করা হলে পর্যটকদের কাছে আরো উপভোগ্য হবে।


খুলনা থেকে আসা আরেক পর্যটক সজীব আহমেদ বলেন, আমি ভিডিওতে দেখছিলাম মৎস্যকন্যা, আজ বাস্তবে আবার বালুতে আঁকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে খুব ভালোই লাগছে। এ কাজটি প্রশংসার দাবি রাখে। তবে কুয়াকাটায় এরকমের একটি স্থায়ী মৎস্য কন্যার ভাস্কর্য থাকলে বেশ ভালোই লাগতো।

আরও পড়ুন: রেল স্টেশন থেকে নবজাতকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, কুয়াকাটা সৈকতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা গুনের মানুষ আসে। এমনই একজন পর্যটক সমুদ্র কন্যার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। এটি আসলেই প্রশংসার দাবিদার। অনেকেই দেখছি ছবি তুলছে।


একাত্তর/আরএ