পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে নিহতের স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে টিয়াখালী গ্রামে এ ঘটনার পর নিহতের বাবার করা মামলায় বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, নিহত এক সন্তানের জননী মুক্তা আক্তার (২০) ওই গ্রামের ইমরান প্যাদার স্ত্রী।
মামলার অপর আসামিরা হলেন নিহতের শ্বশুর সোলেমান প্যাদা, শাশুড়ি জোসনা বেগম ও ননদ সুমা বেগম।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মুক্তাকে হত্যা করা হয়েছে।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম জানান, বুধবার রাতে শ্বশুরবাড়ির দোতলায় গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় মুক্তা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে বুধবার দুপুরে স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাথে পাশ্ববর্তী গ্রামে দাওয়াত খেতে যাওয়া নিয়ে মুক্তার ঝগড়া হয়। এরপর রাগ করে শিশুসন্তান নিয়ে ঘরে থেকে যান মুক্তা।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় বাসচাপায় অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত
ওসি জানান, নিহত গৃহবধূর সাথে এর আগেও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরোধ হয়েছে। সবশেষ গত আটদিন বাবার বাড়িতে বেড়ানো শেষে শ্বশুর বাড়ি এসে এ ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ইমরান প্যাদাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
একাত্তর/এসজে