ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত রাজবাড়ীর বিসিক শিল্প নগরীর সেমাই কারখানার কারিগররা। এখানকার সেমাই স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে। সেমাইয়ের গুণগত মান ঠিক রাখতে নিয়মিত তদারকি করছেন মিল মালিক ও বিসিক কর্মকর্তারা।
ঈদ এলেই বাড়ে ব্যস্ততা, দম ফেলার সময় থাকে না রাজবাড়ীর বিসিক শিল্প নগরীর সেমাই কারিগরদের। এবারও বিভিন্ন পাইকারি বাজারে সেমাই পৌঁছে দিতে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেমাই তৈরি করছেন তারা।
সেমাই তৈরির কারিগররা জানান, করোনার কারণে ব্যবসায়ে ক্ষতি হয়েছে তাদের। এবার সুযোগ থাকলেও আটা-ময়দার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা উৎপাদন কমিয়েছেন।
প্রথমে নিজস্ব মিলে তৈরি ময়দা থেকে সেমাই বানানো হয়। এরপর সেগুলো রোদে শুকিয়ে ও ভেজে প্যাকেট করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন স্তরে প্রতিদিন কাজ করেন দুইশোরো বেশি শ্রমিক।
সেমাই তৈরির কারিগররা জানান, অনেকের স্থানীয় ময়দার মিল রয়েছে। যেখান থেকে ময়দা বা আটা সংগ্রহ করে তারা সেমাই তৈরি করেন। এরপর এর গুণগত মান বজায় রাখতে তৎক্ষণাৎ প্যাকেটজাত করা হয়।
বিসিক কর্তৃপক্ষ জানায়, রাজবাড়ীর সেমাইয়ের গুণগত মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি বাজারে সরবরাহ করা হয়। আর গুণগত মান ঠিক রাখতে মিল মালিকদের কড়া নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
রাজবাড়ীর বিসিক শিল্প নগরীর দ্বীন ফুড প্রোডাক্টসের মালিক ও নারী উদ্যোক্তা মেহেরা নিগার পারভীন জানান, কর্মচারীদের আমরা শতভাগ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি।
আরও পড়ুন: বেহাল রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট
রাজবাড়ীর বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহাব্যবস্থাপক চয়ন বিশ্বাস বলেন, সেমাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুণগত মান নিশ্চিতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিসিক শিল্প নগরীতে চারটি সেমাই কারখানায় প্রতিদিন তৈরি হয় দুই টন সেমাই।
একাত্তর/আরএ