পদ্মায় প্রকাশ্যে ডাকাতি, আটক সাত, ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে প্রকাশ্যে পশু ব্যবসায়ীদের ট্রলারে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত সাত ডাকাতকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি তিনটি পাইপগান, বিপুল সংখ্যক গুলি, ১৫ লাখ ১০ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন ও একটি স্পিড বোট জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ মে) রাতে মুন্সীগঞ্জ জেলার মাঝির ঘাটসহ পদ্মা নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

তারা হলেন, শরিয়তপুর জেলার রহমান, নড়িয়া এলাকার ইবাত আলী, চাঁদপুর জেলার তাজুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ জেলার মহসিন, মেহেদী, শিহাব ও নারায়ণগঞ্জ জেলার শাহিন।


এর আগে একই দিন বিকেল তিনটার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পাঁচ নম্বর ফেরি ঘাট এলাকায় প্রকাশ্যে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

নৌ পুলিশ ফরিদপুর রিজিওনের পুলিশ সুপার মো. আশিক সাইদ বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে দৌলতদিয়া নৌ-ফাঁড়ির ওসি জেএম সিরাজুল কবির ডাকাতদের ধাওয়া করতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই দলের সাত জনকে আটকসহ মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হয়। বাকিদের আটকে এখনও অভিযান চলমান আছে।


পশু ব্যবসায়ীদের দাবি, অন্তত ৮০ জন এই ডাকাতির শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে ডাকাতদের অস্ত্রের আঘাত আহত হয়েছেন অনেকেই।

আরও পড়ুন: মার্কিন ব্যবসায়ীদের বড় বিনিয়োগের আহবান প্রধানমন্ত্রীর

ডাকাতি হওয়া ট্রলারে থাকা হান্নান বেপারী জানান, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে ট্রলারে  ৭০ থেকে ৮০ জন গরু-ছাগল ব্যবসায়ী দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশে আসি। দৌলতদিয়া পাঁচ নম্বর ফেরি ঘাটের অদূরে স্পিড বোর্ডে ১৫-২০ জনের মুখোশধারী ও মুখোশ ছাড়া ডাকাত দল এসে প্রথমে মাঝিকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় অস্ত্র দিয়ে সবাইকে মারপিট করে কাছে থাকা টাকা নিয়ে তারা চলে যায়। 


একাত্তর/এসি